জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: কমছে পরিবহন খাতের বরাদ্দ
জ ত য় ব জ ট ২০২৬ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রস্তাব হাতে নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে পরিবহন খাতের বরাদ্দ বিভাগগুলির তুলনায় কমেছে। এই বাজেট সংশোধনের মাধ্যমে অর্থবছরের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলির স্তর পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে পরিবহন খাতে বরাদ্দ হ্রাস হয়েছে কম পরিমাণে, যা নূতন পরিচালন ও উন্নয়ন খাতের সংস্করণে চলতি বছরের তুলনায় কমে গেছে। জাতীয় বাজেট প্রস্তাব দ্বারা সরকার পরিবহন খাতে প্রতিবেশী বিভাগগুলির দাবি কমিয়ে দিয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অনুযায়ী সড়ক পরিবহন বিভাগের বরাদ্দ প্রাপ্ত হিসাবে পরিচালন খাতে ছিল ৬ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ছিল ৩০ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ তুলনায় কমেছে, যার কারণে নতুন অর্থবছরে সড়ক পরিবহন খাতে উন্নয়ন প্রকল্পগুলির কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিচালন খাতের অর্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই হ্রাস করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ প্রাপ্ত হিসাবে নতুন অর্থবছরে পরিচালন খাতে ৪ হাজার ৫০১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৫ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা হিসাবে প্রস্তাবিত হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই বিভাগের বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা। ফলে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমেছে ২ হাজার ৩ কোটি টাকা। এটি রেলপথ খাতে পরিচালন ও উন্নয়ন উভয় খাতে কম পরিমাণ নিয়োগের কারণ হিসাবে বিবেচিত হয়।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ নতুন অর্থবছরে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। পরিচালন খাতে ৮৭৪ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৮ হাজার ২০৭ কোটি টাকা হিসাবে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই হ্রাসের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং সমুদ্রপথ পরিবহন প্রকল্পগুলির উপর পড়তে পারে।
বাজেট হ্রাসের কারণ ও প্রতিক্রিয়া
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অনুযায়ী পরিবহন খাতে হ্রাস হওয়া বরাদ্দ সরকারের সংকটাপন্ন আর্থিক পরিস্থিতি এবং প্রাথমিক খাতগুলির অর্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ঘটেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবহন খাতের বরাদ্দ কমানো সমস্ত খাতের সমান সম্ভাবনা নিয়োগের পরিপ্রেক্ষিতে বিপদ সৃষ্টি করতে পারে। তারা মন্তব্য করেছেন যে জাতীয় বাজেটে পরিবহন খাত সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কিন্তু সম্প্রতি কম অর্থ ন