ঋণনির্ভর বাজেট আর্থিক শৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ঋণন র ভর ব জ ট আর-২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের পর সংসদ ভবন থেকে বের হয়ে তৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন যে বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের ঋণ বরাদ্দ করা হয়েছে যা ভবিষ্যতে দেশের আর্থিক স্থিতিশিলতাকে ধ্বংসের দিকে তুলে আনতে পারে। প্রকাশ্যে পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে ঋণনির্ভর বাজেটের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কিন্তু সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূল্যায়নে প্রশ্ন উঠেছে।
বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর অবস্থা
বৈদেশিক ঋণের সাহায্যে গঠিত বাজেট আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছেন ড. দেবপ্রিয়। যুবসমাজের উন্নয়ন এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে প্রচুর বরাদ্দ করা হয়েছে যা ঋণনির্ভর বাজেটের ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে। তবে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কাজে বৈদেশিক ঋণ ব্যবহার করার ফলে আর্থিক অবস্থার প্রতি অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটের সাফল্য ঋণন র ভর ব জ ট কার্যকারিতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা দ্বারা নির্ধারিত হয়।
“ঋণনির্ভর বাজেটের সাফল্য বা ব্যর্থতা সম্পূর্ণরূপে আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর নির্ভর করবে। শুধু পরিকল্পনা কাঠামো শক্তিশালী হলেই কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জন বা বিনিয়োগ বৃদ্ধি সম্ভব নয়। অতএব, বাজেটে ঋণনির্ভর ভর ব জ ট এর প্রভাব কেবল আগামী দিনের আর্থিক স্থিতিশিলতার ক্ষেত্রে বড় দুশ্চিন্তা তুলে ধরছে।”
ড. দেবপ্রিয় কর্মকান্ডে বলেন যে বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা করে সরকার এখন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। অর্থবছরে সরকারের বৈদেশিক ঋণ ভর ব জ ট আরও বৃদ্ধি পেয়েছে যা অবিলম্বে ভবিষ্যতে আর্থিক স্থিতিশিলতার প্রতি বিপদ সৃষ্টি করতে পারে। যুবসমাজের উন্নয়নে বৃহৎ অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কিন্তু তা ঋণনির্ভর বাজেট দ্বারা চালানো হচ্ছে যা স্থায়ী উন্নয়নের দিকে প্রতিক্ষার কারণ হতে পারে। আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ঋণন র ভর ব জ ট এর সাথে সম্পর্কিত মাধ্যমিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দরকার।
আর্থিক স্থিতিশিলতার জন্য ঋণনির্ভর বাজেটের প্রয়োজনীয়তা
ঋণন র