আবার আতঙ্কের নাম ‘জলাতঙ্ক’ | সংবাদ
আব র আতঙ ক র ন ম – একটি কামড় বা কয়েক লালা সে কিছু করে একটি জীবকে শেষ করে দিতে পারে। এমন কিছু ক্ষতির কথা চিকিৎসার আধুনিক যুগেও আকার করে দেয় কিছু স্বাস্থ্য ধ্বংসের প্রতি করুণ মৃত্যুর চোখে দেখা যায়। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ এই রোগে প্রাণ হারায়। প্রতি মুহূর্তে পাগল প্রাণী বা তাদের কামড়ের প্রতিক্রিয়া দ্বারা এ রোগ ছড়ায়।
জলাতঙ্ক মূলত ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক রোগ। স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ হয়। কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে এর জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করে। ভাইরাসটি স্নায়ুতন্ত্রে চলমান স্থানে শরীরে ঢোকার পর মস্তিষ্কে হানা দেয় এবং বংশবৃদ্ধি করে। কামড়ের এক থেকে তিন মাসের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাইড্রোফোবিয়া হিসেবে পরিচিত এই রোগ তৈরি করে অবিশ্বাস্য আতঙ্ক। পানি পান করতে গেলে হাতে ক্ষত বা অন্য কোন কারণে এই আতঙ্ক প্রকাশ পায়। এর পর রোগী অবাস্তব পদার্থের দিকে তীব্র আকর্ষণ বোধ করে।
আক্রান্ত প্রাণীর মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা ঝরতে থাকে। সাধারণত রোদ বা আলো ভয় পায়। তারা ময়লা কাঠ বা পাথরে কামড়াতে থাকে। চিকিৎসার সম্প্রদায়ে এই রোগ হারিয়ে দেয় কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ। ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে বেওয়ারিশ কুকুরের টিকা দিতে জরুরি।
রোগের কারণ ও পরিণতি
প্রাণী আক্রান্ত হওয়ার পর রক্তবাহিকা বেয়ে সরাসরি মস্তিষ্কে চলে যায় ভাইরাস। লক্ষণ প্রকাশের পর রোগী এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢুকে পড়ে। এই প্রতিষেধক ইনজেকশন নেওয়া এবং পরিবেশ সামান্য সময় দেরি না করে ক্ষতস্থান ধুয়ে দিতে হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ১৫ দিন