আজতেকার স্টেডিয়াম বনাম ইংল্যান্ডের প্রতিযোগিতা
আজত ক র র পকথ বন ম – বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানে স্নায়ুর বিশাল পরীক্ষা। এই সময়ে যদি স্পীডে চালিত হয় কোনো ম্যাচ আজতেকার স্টেডিয়ামের বিশেষ স্থানে, তবে অপরাজেয় ইতিহাস দূর করা কঠিন। আজ ইংল্যান্ডের মাঠে আসছে মেক্সিকোর প্রতিযোগিতা, যেখানে অপরাজেয় প্রতিশ্রুতি আসলেই চোখে কপালে তোলা পারে। ইংলন্ডের হ্যারি কেইন নেতৃত্বে দল মাঠের আগ্রাস বোঝায় কিন্তু ম্যাচের আবহ আসলে শুধু ফুটবলের বাইরে কিছু বিশেষ রয়েছে।
আজতেকার বিশাল সংখ্যা
১৯৬৬ সালে উদ্বোধন হওয়া আজতেকার স্টেডিয়াম মানে মেক্সিকোর বিশাল সংখ্যা। তার ইতিহাসে এই মাঠে খেলা ৮৯টি ম্যাচের মধ্যে ৭০টিতে জয় হয়েছে, ১৭টি ড্র আর কেবল ২টি হার বিদ্যমান। বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা কখনো পরাজিত হয়নি নিজেদের স্থানে। এবারের টুর্নামেন্টে মেক্সিকো এই স্টেডিয়ামে আসছে বিশ্বকাপে জয় লাভের সেরা সুযোগ হিসেবে।
যদিও পুস্তকের পাতা মেক্সিকোর সংখ্যা বিশ্বকাপের স্বপ্ন চুরি করেছে, তবুও এই দানবীয় সূত্র কাটে না। মেক্সিকোর প্রায় সব জয় কনকাকাফ অঞ্চলের দুর্বল দলগুলোর বিপক্ষে হয়েছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের সামগ্রিক রেকর্ড নড়বড়ে হয়েছে। এই প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হওয়ার আগে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ জয়ের প্রতিযোগিতা সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা বলে মনে হয়।
তুখেলের আত্মবিশ্বাসের সংকেত
তাড়ানোর এবং প্রতিশোধ নেওয়ার এটাই আমাদের সেরা সুযোগ।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সম্মেলনে ইংলিশ কোচ থমাস টুখেল নিজের সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন। ম্যারাডোনার পূর্বে মেক্সিকোর সেই মহাযুদ্ধ কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বে নামে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল ইংল্যান্ড। আজ সেই মাঠে একই সুযোগ হিসেবে আসছে তাদের অপেক্ষা বড় পরীক্ষা। সামনে আছে একটি বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে আজতেকার গগনবিদারী গ্যালারির স্বর কান্না বহন করে।
আজতেকার পরিসংখ্যা আর ইতিহাস যদি মেক্সিকোর পক্ষে কথা বলছে, তবে ফুটবলের ইতিহাস নিশ্চিত ভাবে সব ‘প্রথম’-এর মধ্যে চলে। ইংলন্ডের ফুটবল খেলোয়াড়রা এবার ম্যারাডোনার সেই মহান অতীতের মুখোমুখি হবে। স্টেডিয়ামের ব