Bangladesh

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শনে পথে প্রান্তরে

প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ ঘুরে দেখা যায় এখানে প রত নত ত ত ব ক - বাংলাদেশে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির একটি অসাধারণ সমৃদ্ধতা রয়েছে। এ অঞ্চলের উপরে এবং মাটির

Desk Bangladesh
Published July 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
678dae95-df06-4a6c-86ff-04b982206baa-0
Foto : John Williams - banglabeacon.com

প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ ঘুরে দেখা যায় এখানে

Banglabeacon.com – প রত নত ত ত ব ক – বাংলাদেশে ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির একটি অসাধারণ সমৃদ্ধতা রয়েছে। এ অঞ্চলের উপরে এবং মাটির নিচে দুই দিকে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রাচীন সভ্যতার অস্তিত্ব প্রমাণ করে এই স্থানগুলো জনপদের ঐতিহ্য ও সামাজিক বোধের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা বহন করে।

উয়ারী বটেশ্বর

গত মাসে তিনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান পরিদর্শন করেছি। এর মধ্যে নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত উয়ারী বটেশ্বর একটি প্রধান স্থান। এই স্থানটি খননের মাধ্যমে একটি সুরক্ষিত নগরকেন্দ্র, পাকা রাস্তা এবং শহরতলির বসতি উন্মোচিত হয়েছে। সংগৃহীত প্রমাণ অনুযায়ী এটি মাটির নিচে অবস্থিত দুর্গ-নগরী হতে পারে।

বটেশ্বর গ্রামে অবস্থিত একটি যাদুঘরে প্রাথমিক খননে পাওয়া মূল্যবান নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে টেরাকোটা দেয়াল ও বাথটাব প্রমাণ পাওয়া গেছে। উপজেলার পশ্চিম পাশে পর্যটকদের জন্য আবহাওয়া কেন্দ্র ও গর্ত বসতি ঘর রয়েছে।

বর্তমানে এ এলাকায় খনন কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। সম্পূর্ণ এলাকাটি মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের কথাগুলি অনুযায়ী ব্রক্ষ্মপুত্র নদের পাড়ে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। অর্থাৎ সময়ে সাগর প্রবাহিত ছিল বটেশ্বর গ্রামের পাশ দিয়ে।

ঈশা খাঁর সমাধি

ঈশা খাঁর সমাধি অনুযায়ী সে সময়ে আধুনিক বাস্তু শৈলীতে লাল সিরামিক ইট ব্যবহার করে সমাধিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। সমাধি স্থলটি প্রায় সাড়ে ১৭ ফুট উচ্চতা ও প্রায় ২৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বিশিষ্ট। এখানে প্রাচীন নির্মাণ কৌশলের ছাপ রয়েছে।

কন্যা নুঝহাত জামান রূপকথা আমার কাছে জানতে চাইলো- ঈশা খাঁর রাজধানী ছিল সোনারগাঁও, তাহলে তিনি এখানে সমাহিত হলেন কেন? মোঘল শাসকদের সাথে পরাজয়ের পর তিনি বক্তারপুর দুর্গে চিকিৎসার জন্য অবস্থান নেন এবং সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

বালিয়াটি প্রাসাদ বলে পরিচিত সাটুরিয়া উপজেলার এই স্থানটি ৫.৮৮ একর জায়গায় বিস্তৃত। এটি উনিশ শতকে নির্মিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার গোবিন্দ রাম সাহা। তার ছিল চার ছেলে যারা প্রাসাদ নির্মাণে সহায়তা করেছিলেন।

ধারণা করা হয় এই ছেলেরা বালিয়াটি প্রাসাদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। সম্প্রতি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে এটি বিবেচিত হচ্ছে। আধুনিক জীবনবোধ ও রুচিশীল সংস্কৃতির প্রমাণ এখানে পাওয়া যায়।

Leave a Comment