বাঘিনীকে আবাসনে ফিরিয়ে দেয়া হলো রাজত্বে
৬ ম স পর র জত ব – যার পরিচর্যা ও চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর অবশেষে বাঘিনীটি তার আবাসনে ফিরে এল। এই প্রাণী সুন্দরবনের পূর্ব অঞ্চলের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে। তার পুনরায় মুক্তির সময় বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের সাথে উপস্থিত ছিলেন বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
রাজত্বে ফিরেছেন আটকে পড়া বাঘিনী
সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জে শরকির খালের অদুরে শিকারিদের পেতে রাখা হরিণ ধরার ছিটকা ফাঁদে আটকে পড়েছিল বাঘিনীটি। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ছয় মাসের নিবিড় পরিচর্যার পর খুলনা থেকে জলযানে বনে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার ক্ষিপ্রতা ও আস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে।
“বাঘটিকে সুন্দরবনে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে খুলনা থেকে। চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক এলাকায় অবমুক্ত করে দেয়া হয়েছে,” বলেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের মো. রেজাউল করীম চৌধুরী।
বাঘিনীটি জুন মাসে পুনরায় মুক্তি পায় পুনর্বাসনকেন্দ্রের পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে। খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) ইমরান আহমেদ বলেন, বাঘিনীটি এখন সুস্থ হয়ে আগের চেহারায় ফিরেছে। তার ওজন বেড়ে হয়েছে ৯০ কেজি এবং দৈর্ঘ্য হয়েছে ৯ ফুট।
পর্যবেক্ষণে বিশেষ পরিকল্পনা
বাঘটি মুক্তি পেয়ার পর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য বনাঞ্চলের ৮ কিলোমিটার জুড়ে ২০টি ট্রাপিং ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, আটকে পড়া বাঘিনীকে সুস্থ করার জন্য বিশেষজ্ঞ দল তাকে খুলনা থেকে জলযানে বনে নিয়ে আসে।
সুন্দরবনে বাঘটির আবাসন ফিরেছে সরকারের প্রতিমন্ত্রী সহ বিশেষজ্ঞ ও প্রশাসনের উপস্থিতির মধ্যে। আগামী এক বছরে বাঘটির নিরাপত্তা, জীবনাচরণ ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য স্যাটেলাইট রেডিও কলারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে কিছু জটিলতার কারণে বিদেশ থেকে এটি আনা সম্ভব হয়নি।