কক্সবাজারে বৃষ্টি ও আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত
ট ন ব ষ ট ত পর – টানা বৃষ্টি পর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত আগের মতো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। সম্প্রতি চার দিনের বৈরী আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টির কারণে হোটেল, মোটেল এবং রিসোর্টগুলি দর্শনার্থীদের স্থান ছাড়া অবস্থান করেছে। এ সময় সমুদ্রে যাওয়ার জন্য বিধিবিধান বা কড়াকড়ি চালু রয়েছে কারণ উত্তাল সাগরে তৃতীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকছে।
আগাম বুকিং বাতিল হয়ে পড়েছে পর্যটক শূন্য হোলে
বৃষ্টির কারণে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন ব্যবস্থার দর্শনার্থীদের আগাম বুকিং বাতিল হয়েছে। এর ফলে কক্সবাজার মূলত বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতে দুর্দান্ত ক্ষতির কথা বলা হচ্ছে। সমুদ্রসৈকতে লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় এক থমথমে পরিবেশ। পর্যটকদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। অনেক পর্যটক হাতেগোনা দেখার জন্য হোটেলে পৌঁছেছেন কিন্তু দ্রুত ছেড়ে যাচ্ছেন এমন অবস্থা দেখা গেছে।
“টানা বৃষ্টি পর সমুদ্রসৈকতে দুর্দান্ত আবহাওয়া বাড়তি ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। ট্রেন ও বাস চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় আগাম পর্যটক বুকিং বাতিল হয়েছে। বর্তমানে অবস্থানরত পর্যটকদের অনেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই ফিরে যাচ্ছেন।”
আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন স