প্রশ্ন ফাঁসের সাজা কমিয়ে ৫ বছর, বিল পাস
আইন পরিবর্তন সংসদে গৃহীত হয়েছে
প রশ ন ফ স র স – প্রশ্ন ফাঁসের আইন বদলের প্রস্তাব হিসেবে প্রশ্ন ফাঁসের সর্বোচ্চ সাজা বিষয়ে পরিবর্তন ঘটেছে। আগে প্রশ্ন ফাঁসের কার্যক্রমের জন্য সাজা ছিল ১০ বছর, কিন্তু সংসদে এই সংস্করণটি পাশ করার ফলে সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে ৫ বছর। এই বিলটি প্রস্তাবে শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন এর নেতৃত্বে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে প্রতিশোধের নতুন সংস্কার বিধান দিয়েছে। বিলের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার নৈতিকতা বজায় রাখা এবং নতুন ধরনের জালিয়াতি কার্যক্রমের জন্য সুনির্দিষ্ট বিধান প্রবৰ্দ্ধিত করা।
ডিজিটাল কারসাজি কাউন্সিলে এনেছে নতুন বিধি
প্রশ্ন ফাঁসের আইন বদলের জন্য সংসদে প্রবিষ্ট বিলটি কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়েছে। এটি মূলত ডিজিটাল মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড কমিয়ে সাজা হিসেবে পাঁচ বছর নির্ধারণ করেছে। সাধারণত এই ধরনের অপরাধের জন্য সাজা হতো ১০ বছর, কিন্তু এখন সেই মেয়াদটি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে যে পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের জন্য সাজা এখন পাঁচ বছর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ ডিভাইস ব্যবহার করার প্রতি কৃত্যে সাজা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে নতুন আইন প্রস্তাবে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। যেমন, সংসদে প্রস্তাবিত আইনটি বলেছে যে পরীক্ষার ডেটাবেজে সংশোধন বা মুছে ফেলার চেষ্টা করলে পরীক্ষার্থীদের সাজা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর হিসেবে নির্ধারিত হয়। এই বিলে বিশেষ করে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রে নতুন বিধান প্রবৰ্দ্ধিত হয়েছে। আগে সাজা হতো ১০ বছর, কিন্তু এখন সর্বোচ্চ পাঁচ বছর হিসেবে প্রস্তাব হয়েছে।
শিশুদের প্রতি বিশেষ বিধান