নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়: অপ্রকাশিত অতিথি আর সত্যানুসন্ধানের বিশ্ব
ন ল শ ম ক ব শ – আমার বয়স ছিল চুয়াল্লিশ বছর। তখন আমি আমার শামুকের নিচে থাকা নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে পৌঁছেছিলাম, যেখানে সত্যানুসন্ধানের জন্য আমাকে স্বাগতম বলা হয়েছিল। কিন্তু আমার শামুক ছিল সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত। তখন কোনো ক্ষয়ে যাওয়া স্যান্ডেল বা অপূর্ণ স্বপ্নের সংখ্যার সাথে তুলনা করা যেত। এই নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করার পর আমি একটি মাঠের কাছে পৌঁছেছিলাম, যেখানে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়েছিল। সেখানে কারও বই প্রকাশিত হয়নি, কারও গবেষণা লেখা হয়নি, কারও আবিষ্কার তৈরি হয়নি। সবাই শুধু ভাবতে পেরেছে।
একটি অপ্রকাশিত অতিথি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার
আমি অনেকক্ষণ নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখানে গেলাম, যেখানে একটি বিশাল গ্রন্থাগার অবস্থিত। গ্রন্থাগারটি শুধুমাত্র বইয়ের আকারে মলাট করেছিল। আমি গ্রন্থাগারিকে জিজ্ঞেস করলাম, “এগুলোইতো সেই বই, যেগুলো লেখা হয়নি?” তিনি উত্তর দিলেন, “হ্যাঁ। পৃথিবীতে যত অপূর্ণ বই আছে, সব এখানে রাখা হয়েছে।” আমি একটি মলাট টেনে বের করলাম। সেটার উপর আমার নাম লেখা ছিল। খাতার লেখা নিজের জন্য, বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য।
“খাতার লেখা নিজের জন্য, বইয়ের লেখা পৃথিবীর জন্য।”
খাতার পৃষ্ঠা খুলে দেখি সাদা পৃষ্ঠা ছিল। গ্রন্থাগারিক মাথা নাড়লেন, “না, তুমি খাতায় লিখেছ। বইয়ে লেখোনি।” কথাটি শুনে আমার বুকের ভেতর যেন ব্যথা হল। কিন্তু সেই সময় আমি সত্যিই বুঝতে পারিনি যে নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয়টি কেবল একটি মেঘ নয়, বরং একটি গল্পের সংস্করণ হতে পারে।
সময় আর চোখের প্রতি অপ্রকাশিত অতিথি
আমি হাঁটতে হাঁটতে শহরের শেষ প্রান্তে গেলাম। পাহাড়ের গায়ে লক্ষ লক্ষ দরজা দেখি। প্রতিটি দরজার ওপর একটি নাম লেখা ছিল। আমি একটি দরজা খুললাম এবং দেখি তার নিজের কম্পিউটার আছে, তার বই বিক্রি হচ্ছে। আমি দরজা বন্ধ করে দিলাম। সে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। আমার মনে হল যেন এই নীল শামুক বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি অতিথি রাখার জায়গা নয়, বরং একটি অপ্রকাশিত সত্যানুসন্ধানের সমাপন স্থান।
হঠাৎ একটি দরজায় গিয়ে থামলাম। সেখানে দেখি আমি ঠিক আমার মতোই একটি মানুষ আছে। তার চোখে কোনো অভিযোগ ছিল না। আমি