Bangladesh

বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন বর ণ য চ ত রশ ল - প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার

Desk Bangladesh
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

বর ণ য চ ত রশ ল – প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সোমবার (২৯ জুন) সকালে। তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াণ করেন। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ক্ষুধার জন্য তিনি গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে গৃহীত ছিলেন।

তাঁর জনপ্রিয়তা ও সাংস্কৃতিক অবদানের জন্য বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করছে। ২০০৪ সালে তাঁকে দেশের শিল্প ও সাহিত্য বিকাশে অপরিসম্পূর্ণ অবদানের জন্য একুশে পদক প্রদান করা হয়। কর্মজীবনে তিনি আরও বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পৈতৃক বাসস্থান ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফা ও জমিলা খাতুনের সন্তান।

প্রাথমিক শিক্ষা নারায়ণগঞ্জের গভর্নমেন্ট স্কুলে প্রাপ্ত হন তিনি। পরে কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন, কিন্তু শিল্পের প্রতি আকর্ষণে বিজ্ঞান ছেড়ে কলকাতা সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। ১৯৫৯ সালে তাঁর শিল্পী যোগ্যতা চারুকলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

পরে তিনি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আহ্বানে আর্ট কলেজে (বর্তমানে চারুকলা ইনস্টিটিউট) শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে তাঁর কর্মজীবন বাংলাদেশ টেলিভিশনে যুক্ত হয়ে পরিবর্তিত হয়। বিটিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

বিশেষ ভাবে শিশুদের জন্য সৃষ্টিশীল প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কাছে পরিচিত হন, যেমন ‘মনির মুক্তা’ ও ‘নতুন কুঁড়ি’ নামক অনুষ্ঠান। তাঁর সংস্কৃতি ও শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, বিশেষ করে পাপেট চর্চার প্রসারে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্ট হয়েছে।

Leave a Comment