Bangladesh

পলাশে লটকন চাষে আগ্রহ বাড়লেও খরায় এবারো ফলন কম

পলাশ উপজেলায় লটকন চাষে বিপ্লব ঘটছে খরার কারণে ফলন কমেছে পল শ লটকন চ ষ আগ রহ - নরসিংদীর শিবপুর, মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা থেকে এবার পলাশ উপজেলায় লটকন চাষের

Desk Bangladesh
Published June 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পলাশ উপজেলায় লটকন চাষে বিপ্লব ঘটছে খরার কারণে ফলন কমেছে

পল শ লটকন চ ষ আগ রহ – নরসিংদীর শিবপুর, মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা থেকে এবার পলাশ উপজেলায় লটকন চাষের বিপ্লব ঘটছে। সুস্বাদু ও লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের এ উপজেলায় লটকন চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। গত বছর লটকনের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় চাষিরা এখন নতুন উদ্দীপনা লাভ করেছে।

লালমাটির এলাকাগুলো তাদের আবহাওয়া ও জমির সুষম ব্যবহার দ্বারা নতুন করে জীবন মিত্র ও রামকৃষ্ণ রায় জানায়, এ ছাড়া লটকন গাছ ছায়া ও ঝোপঝাড়ে ভালো জন্মায়। কৃষি বিভাগ তাদের প্রকৃতি ও জমির উপযোগিতা ব্যাখ্যা করেছে।

পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নে লটকনের ব্যাপক ফলন হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত কুইন্টাল ফল ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে পৌঁছাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বাজারে এ ফসলের চাহিদা বাড়ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি দাম ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে রয়েছে।

চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি করেছে পরিবর্তন

দুই দশক আগে লটকন চাষ করার কোনো স্বতন্ত্র বাগান ছিল না। সাধারণত বাড়ির আঙিনায় বা অন্য ফলের বাগানে দু-একটি গাছ লাগানো হতো। কিন্তু আবহাওয়া অনুকূল হলে ও সঠিক পরিচর্যা করলে গাছের গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত ফলের থোকা প্রাপ্ত হয়। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে লটকন বাগান তৈরি করছেন চাষিরা।

“আম ও কাঁঠালের চেয়ে লটকন এখন বেশি লাভজনক। এটি আমাদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে,” জীবন মিত্র কথাগুলো বলেন।

টেঙ্গর, রাবান, বরাবো, কুড়াইতলী ও আতশীপাড়াসহ ৩১টি গ্রামে লটকনের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এবারের তীব্র খরার কারণে কিছু এলাকায় গুটি ঝরে যাওয়ায় ফলন গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

লটকন চাষের বিশেষত্ব হলো ফল গাছের প্রধান কাণ্ড ও ডালপালায় থাকে। নরসিংদীর উঁচু ও লাল মাটি এ ফসল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ফসলের ইতিবাচক প্রভাব স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রতিদিন বৃদ্ধি পেয়ে আছে।

Leave a Comment