ঈদ উপলক্ষে সীমান্তে গরু চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ
ঈদ ঘ র স ম ন ত – ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার সীমান্তে গরু চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। নরসিংপুর, বাংলাবাজার ও বোগলা বাজার এই তিনটি হাট দিয়ে ভারত থেকে গরু ও মহিষ বড় পরিমাণে আসছে। খামারের আড়ালে গড়ে ওঠা রাত্রিযাপন কেন্দ্রগুলো এখন দুর্নীতির প্রধান স্থান হয়ে উঠেছে।
গবাদিপশু বাজারে আবহাওয়া তৈরি হচ্ছে
অভিযোগ রয়েছে যে খামারগুলো কার্যত অস্থায়ী বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা দিনে খামারে ঘাস-খড় রাখে এবং রাতে গরু জমা করে। অনেকে বলছেন যে এসব গরু পরদিন ভোরে এলাকার বিভিন্ন অংশে সরিয়ে নেওয়া হয়।
রাতে খামারগুলোতে গরু ভর্তি হয়, আবার সকালে সেগুলো অন্যত্র চলে যায়। এতে স্থানীয় বাজারে গরুর দাম অস্থির হয়ে উঠছে।
এলাকায় মোট ৮টি খামার রয়েছে, যার মধ্যে ৪টি নিবন্ধিত এবং ৪টি অনিবন্ধিত। রাতযাপন ফি প্রতি গরুর জন্য ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ধারণ করা হচ্ছে। বোগলাবাজারের এক ব্যবসায়ী জানান যে খামারগুলো কেবল গরু রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
অপকর্মের জড়িত কেউ ছাড়া থাকে না
সীমান্ত পেরিয়ে আসা গরু সম্পর্কে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন খামার মালিক দাবি করেন যে তারা কোনো অবৈধ গরু রাখেন না। তিনি বলেন, যারা গরু নিয়ে আসে তারা নিজেদের গরু বলে রাখে এবং রাতে রাখার জায়গা চাওয়ায় তাঁরা দিই।
সুনামগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটি গত ৯ মে এ বিষয়ে আলোচনা করে। তবে কড়াকড়ির কারণে প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্য সতর্ক রয়েছে। বর্ডার বন্ধ হওয়ায় কয়েক দিন গরু নামছে।
ঈদের আগে হামলার ঘটনা
ঈদের আগের রাতে ফয়সাল জামান ও আবু সালেহ নাসিমকে হামলা করে গুরুতর আহত করে। পরে মামলা দায়ের হয়। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানাচ্ছেন যে বিজিবি, পুলিশ ও প্রশাসনের কিছু সদস্য এ বিষয়ে ম্যানেজ করে। কতিপয় সাংবাদিক নামধারী জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।