News

একটি গাছ, কিছু জমি এবং ধর্ষণের অভিযোগ

একটি গাছ, কিছু জমি এবং ধর্ষণের অভিযোগ একট গ ছ ক ছ জম এব - আদালতের এজলাস কক্ষ তখন নীরব ছিল। বিচারপ্রার্থী চল্লিশ বছর বয়সী রানু কবীর ও তার ষোড়শী মেয়ে হ্যাপী

Desk News
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

একটি গাছ, কিছু জমি এবং ধর্ষণের অভিযোগ

একট গ ছ ক ছ জম এব – আদালতের এজলাস কক্ষ তখন নীরব ছিল। বিচারপ্রার্থী চল্লিশ বছর বয়সী রানু কবীর ও তার ষোড়শী মেয়ে হ্যাপী উপস্থিত ছিলেন। আসামি দুই ভাই লিয়াকত ও মান্নান কম্পমান অবস্থায় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধর্ষণের অভিযোগ গুরুতর হতে পারে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারা অনুযায়ী, যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বছরের অধিক বয়সের কোন নারীর সঙ্গে তার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শনে তার সন্মতি আদায় করে যৌনসঙ্গম করেন, তাহলে তিনি ধর্ষণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।

নালিশী আরজি থেকে জানা যায়, রানু কবীর তার মেয়ে হ্যাপীকে শ্বশুরের ভিটায় বসবাস করেন। স্বামী প্রবাসী ছিলেন। বছরে একবার বাড়ি এসে পরিবার-পরিজনদের দেখে যান। ঘটনার দিন দুই ব্যক্তি নিজ বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। বিকেল প্রায় তিনটা সময়ে আসামিরা অপ্রতিহতভাবে তার ঘরে আগমন করে। কিছু বোঝার আগেই রানু কবীরকে ধর্ষণ করতে শুরু করে লিয়াকত। মান্নান পাশের ঘরে জোর করে হ্যাপীকে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। শেষে আসামিরা বীরদর্পে বেরিয়ে যায়। চিৎকার শুনে পাড়া-প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে আসেনি। কারণ আসামিরা দাঙ্গাবাজ লোক হিসেবে পরিচিত।

আদালতে আঁচল দিয়ে ও মেয়ে হ্যাপী ওড়নায় মুখ ঢেকে অঝোর ধারায় কাঁদছিলেন। এ অভিযোগে এজলাস কক্ষে এক অভাবনীয় পরিবেশ গঠিত হয়। উপস্থিত জনগণ আসামিদের পিটুনি শুরু করে দেয়। কিন্তু বিচারের সুযোগ কারও নেই। অত্যন্ত সহানুভূতিমাখা কণ্ঠে বিচারক জিজ্ঞাসা করেন, রানু কবীর কেউ ভয় দেখিয়েছে কি না। তিনি আগে কেন নীরব ছিলেন বলে জিজ্ঞেস করেন। বিচারকের উৎকণ্ঠা অনুভব করা যায়। অভয় দিতে থাকেন এবং আশ্বাস দেন ফরিয়াদীর সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তা বিধানের কথা।

‘আমি প্রতিজ্ঞাপূর্বক বলিতেছি যে, এই মোকদ্দমায় আমি যে সাক্ষ্য দিব তা সত্য হইবে, ইহার কোনো অংশ মিথ্যা হইবে না এবং আমি কোনো কিছু গোপন করিব না।’

সাক্ষী হ্যাপী আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। তার মায়ের মতো জবাব দেন, আসামি মান্নান তাকে ধর্ষণ করেছে কি না। আইনজীবী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রকাশ করেন যে, এই মামলা স্বামী নিষেধ করে নিষেধ করে রাখা হয়েছে আম পাড়তে। কারণ তার চাচা আমগাছটি ভেঙে পড়তে পারে এই আশঙ্কায় হ্যাপীকে পাড়তে নিষেধ করেছিলেন। এই নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে রানু কবীর একটি পরিচিত ‘টাউট’ শ্রেণীর লোকের শরণাপন্ন হন। সেই ব্যক্তিই জমি দ্রুত আদায় করার ‘সহজ বুদ্ধি’ হিসেবে ধর্ষণের নোংর

Leave a Comment