সিকৃবি উপাচার্য বাজেটকে ‘গণমুখী’ বলে অভিহিত করেছেন
ব জ টক গণম খ বল অভ – সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলিমুল ইসলাম অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘গণমুখী’ বলে। তিনি এই বাজেটকে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির সম্পূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। উপাচার্য বলেন, বাজেটে মধ্যবিত্ত ও গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা আঁকড়ে নেওয়া হয়েছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর জন্য কর ছাড় ও ভর্তুকি প্রস্তাব রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দুই দশক পর ঘোষিত এই বৃহৎ বাজেটে গণমুখী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। কর ছাড়ের পরিকল্পনা সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে গতি ফেরাতে গণমুখী মানুষ এবং গৃহীত পদক্ষেপগুলি জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ভারসাম্য পুনঃস্থাপনে সাহায্য করবে।
বাজেটে সরকার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম করেনি, এমনকি তা ইতিহাসে সর্বোচ্চ হারে প্রাক্কলন করা হয়েছে। চাল, ডাল, চিনি এবং তেলের কর ছাড় সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে স্পষ্ট ভূমিকা রয়েছে। উপাচার্য বলেন, এই বাজেট কেন্দ্রীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী উভয়ের প্রতি বিশেষ ভাবে সমান সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত।
গণমুখী প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে?
সিকৃবি উপাচার্য আরও জানান, বাজেটে অর্থনৈতিক গতি ফেরানোর জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের গঠনে নব উদ্যম গৃহীত হয়েছে। সরকার মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ করার সাথে সাথে নিম্ন-মধ্যবিত্ত কর্মীদের প্রতি অবহেলা করা হয়নি। এতে বিশেষ করে বাড়ি ও চারাগাছের উপর সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি আরও বলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ইসলাম বলেন, বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া সম্প্রদায়গুলি বিশেষ করে কৃষি খাতের সমর্থন করা হয়েছে। যেমন কৃষকদের জন্য ফার্মার কার্ডের মাধ্যমে আয় ও ব্যয় কমানোর প্রক্রিয়া বিশেষ করে আগামী সময়ে গণমুখী উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করা হয়েছে। এছাড়া কর্মীদের জন্য নবম পে-স্কেলের আকাঙ্ক্ষা মেটানো হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় পর প্রথম বার ঘটেছে।
বাজেটের সম্পূর্ণ পরিকল্পনার বিশ্লেষণ
বাজেটে গণমুখী পরিকল্পনা এবং সামাজিক বিশ্বাস বিশেষ করে সম্পদের সমান বিভাজনের প্রতি