Bangladesh

মেয়েকে ‘জোর করে বিয়ে’, অপমানে বাবার আত্মহত্যা

মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যা ঘটেছে ম য় ক জ র কর ব - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একটি ঘটনায় মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যার ঘটনা

Desk Bangladesh
Published July 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যা ঘটেছে
  2. বিয়ের পর অপমানে আত্মহত্যা

মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যা ঘটেছে

ম য় ক জ র কর ব – বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একটি ঘটনায় মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যার ঘটনা তীব্র আলোচনার মাঝে আবির্ভূত হয়েছে। বালিয়াডাঙ্গী ইউনিয়নে বাড়ি ফিরে আসার পর সাইফুল ইসলামের সঙ্গে একজন মুদি ব্যবসায়ী মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার আরোপ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আবুল কাশেম (৪২) ছিলেন নিহত মুদিদোকানির স্থানীয় পরিবারের সদস্য।

বিয়ের পর অপমানে আত্মহত্যা

অপমানে বাবার আত্মহত্যার ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, আবুল কাশেমের মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার প্রক্রিয়ায় তাঁর প্রতিবেশী সাইফুল ইসলামের সহযোগিতা ছিল। গত ২৫ জুন স্কুলে যাওয়ার পথে মেয়েটি অপহরণ করে তাঁকে জোর করে বিয়ে করে দেন। মেয়ে রাজি না হলে তাঁর বাবা ও ভাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

১ জুলাই মেয়েটি বাড়িতে ফিরে আসার পর সাইফুল তাকে আবারও নিজের বাড়িতে পাঠানোর চাপ দেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের মুক্তির হুমকি দেওয়া হয়। বিয়ে করার ব্যবস্থা করা হয়নি সত্যি হতে পারলে তাঁদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তারা চার দিন ধরে বিয়ে করার প্রতিবেশীদের ভয় দেখিয়ে পরিবারকে ধীরে ধীরে বালিয়াডাঙ্গী থানায় আবেদন করেছিলেন।

ভাইয়ের আত্মহত্যার কারণ

নিহতের ভাই আবুল কালাম জানান, মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার প্রাণ নিয়েছেন। ভয় ও অপমান সহ্য করতে না পেরে তাঁর ভাই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় মুদিদোকানির বাড়িতে জোর করে বিয়ে করার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হচ্ছে। বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বুলবুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েকে জোর করে বিয়ে করার পর বাবার আত্মহত্যা ঘটেছে।

নিহতের স্ত্রী লাবণী আক্তার বলেন, “সাইফুল ও তার লোকজনের ভয়ে আমরা চার দিন ধরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয

Leave a Comment