দিনাজপুরে পশুর হাটে মন্দাভাব
দ ন জপ র পশ র হ – বর্তমানে কোরবানি সময়ের প্রত্যাশা আসার সাথে সাথে দিনাজপুরের পশু বিক্রয় হাটগুলোতে বিক্রেতারা তাদের ব্যবসায়ে সন্তুষ্ট হচ্ছেন না। হাটে পশু আমদানি কম হয়নি, কিন্তু ক্রেতাদের আগ্রহ ও সক্রিয়তা অনেক কম হয়েছে।
দামের প্রতিক্রিয়া একটি মিশ্র চিত্র দেখায়। বিক্রেতারা দাবি করছেন যে তাদের প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না, যেখানে ক্রেতারা মন্তব্য করছেন যে পশুর দাম তাদের অর্থ সাধ্যের মধ্যে রয়েছে।
ক্রেতাদের মতে, বাজারে পছন্দের গরুর সরবরাহ ভালো। দামও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সীমা ছাড়া থাকছে।
দিনাজপুরের বিভিন্ন হাটে বিপুল সংখ্যক কোরবানির পশু উপস্থিত হচ্ছে। শনিবার পর্যন্ত সেখানে একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে। ক্রেতা না পাওয়ায় বিক্রেতারা হতাশ।
সাধারণত কোরবানির তিন থেকে চার দিন আগে হাটগুলোতে সর্বোচ্চ বেচাকেনা হয়। রাখার জায়গা সমস্যার কারণে জেলা ও উপজেলা শহরে কোরবানি দাতারা শেষ মুহূর্তে পশু কিনতে বাধ্য হন। এ কারণে বর্তমানে হাটে প্রকৃত ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম।
অনেকে কেবল হাটে পশুর সরবরাহ ও দাম যাচাই করতে আসছেন। যদি পছন্দ ও দাম মতো হয় তবে কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।
বিক্রেতাদের অভিযোগ, বড় গরুর বাজারে ক্রেতা কম। ক্রেতারা পশুর আকার ও ওজন অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করছেন না। উদাহরণস্বরূপ, আট মণ ওজনের গরুর দাম ক্রেতারা দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় আবেদন করছেন। ফলে বড় গরুর বাজারে কিছুটা মন্দাভাব।
অন্যদিকে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। মাঝারি আকারের গরু ১ লাখ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী
দেশের প্রতিটি জেলায় এখন চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি কোরবানি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এজন্য হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা তাদের ব্যাবহারের সীমা ছাড়া পছন্দের পশু কিনতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।