ঈদে গণমুখী উদ্যোগের সুফল দেশবাসীর কাছে পৌঁছেছে
ঈদ গণম খ উদ য গ র – বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর প্রথম পবিত্র ঈদ উদযাপনে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ও সুশাসনের লক্ষণ স্পষ্ট হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় নেওয়া ১০টি বিশেষ প্রচেষ্টা বিশেষ ভাবে মানুষের জন্য ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সেই সুফল সম্পর্কে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্য
সোমবার (১ জুন ২০২৬) দুপুর ৩টার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, গভর্নমেন্ট নিরলসভাবে সামগ্রিক জনগণের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, “তিন মাসের মধ্যে সরকার স্বচ্ছতা ও নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন বিষয়ে সাফল্য অর্জন করেছে।”
“ঈদের সময় স্থানীয় পরিবেশ উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ কমানোর সুযোগ গ্রহণ করে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা কার্যকর করেছে। চার বছর ধরে চামড়া দড় পতনের সমস্যার সমাধানের জন্য বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।”
বিশেষ কর্মসূচির মধ্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার ছুটি বৃদ্ধি করেছে। মহাসড়কে যানজট কমে গেছে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শোক প্রকাশ করেন উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
শ্রমিকদের স্বার্থ পূরণে প্রচেষ্টা
শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের বিষয়ে বলেন, ঈদের আগে পোশাক খাতসহ সকল কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ভাতা নির্ধারিত হয়েছে। পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রন করা হয়। পশুর হাটে বিপদহীন পরিবেশ রাখতে সরকার অবিশ্বাস্য পশু প্রবেশের বন্ধন প্রতিষ্ঠিত করেছে।
“অগ্রিম পরিকল্পনার কারণে চামড়ার দাম ও নিয়ন্ত্রনের ফলে নষ্ট হওয়ার হার কমেছে। চাল, ডাল ও তেলের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হয়েছে।”