News

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র

Techtaranga.com_17795493938535

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র

Banglabeacon.com – স গর ত ল গ য স – বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস খনি খুঁজতে পেট্রোবাংলা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব জানাচ্ছে। এ দরপত্র রাত ১২টায় সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে শনিবার (২৩ মে)। বিদেশি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলে খনিজ সম্পদ খুঁজতে আগ্রহ দেখায়নি এতদিন যেহেতু স্থানীয় সক্ষমতা অস্থায়ী।

প্রস্তাবের প্রাপ্তির সুযোগ ছিল বাংলাদেশ অফশোর মডেল প্রডাকশন শেয়ারিং চুক্তি (পিএসসি) চূড়ান্ত করার জন্য অর্থনৈতিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। সিসিইএ কমিটি গত মে মাসের বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে আহ্বান করা হয়েছে। এ প্রস্তাবের উদ্দেশ্য সমুদ্রে হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানকে আধুনিক করা এবং বিনিয়োগ কাজে আরো সহজ পথ খুঁজে বার করা।

সম্প্রতি চুক্তির শর্ত পরিবর্তন হয়েছে। ব্লকের ২০ শতাংশ ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল ৫০ শতাংশ। আর কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে মুনাফার অংশ ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১.৫ শতাংশ করা হয়েছে। গ্যাস মূল্যের নির্ধারণে পরিবর্তনও আনা হয়েছে। গভীর সমুদ্রে গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুডের পাঁচ বছরের গড় দামের ১১ শতাংশ হারে নির্ধারিত হবে। সেই সাথে অগভীর সমুদ্রে দামের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০.৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের অংশের হিসাবে গভীর ও অগভীর সমুদ্রে নতুন হার ধরা হয়েছে। অগভীর সমুদ্রে বাংলাদেশের হিসাব ৪০-৬৫ শতাংশ হবে, যা আগে ছিল ৫০-৮০ শতাংশ। গভীর সমুদ্রে হিসাব ৩৫-৬০ শতাংশ রাখা হয়েছে, আগে ছিল ৫০-৭৫ শতাংশ। গ্যাস রপ্তানির সুযোগও নির্ধারণ করা হয়েছে যথাযথ শর্ত অনুযায়ী।

গত দরপত্রে বিদেশি কোম্পানির আগ্রহ ছিল না

২০১০ সালে চারটি বিদেশি কোম্পানি প্রতিযোগিতা করেছিল, কিন্তু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের আগেই তারা ব্লক ছেড়ে দেয়। ২০১৬ ও ২০১৯ সালে দরপত্র আহ্বান করা হলেও প্রতিষ্ঠানগুলো আগ্রহ দেখায়নি। পরে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ অনুযায়ী সুযোগ বাড়িয়ে ২০২৩ সালে নতুন পিএসসি প্রস্তুত করা হয়।

প্রয়োজনীয় শর্ত অনুযায়ী গত মার্চে দরপত্র আহ্বান করা হয়। মার্কিন কোম্পানি এক্সোন মোবিলসহ ৭টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছিল। তবে দরপত্র জমা দেয়নি কোনও কোম্পানি রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাজারের কারণে।

বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট। সেই বিপরীতে সরবরাহ মাত্র ২৬০-২৭০ কোটি ঘনফুট। দেশীয় উৎপাদন ১৭০ ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *