ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যা আছে | সংবাদ
ইর ন ও য ক তর ষ – প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি সাংবাদিকদের বলেন যে চুক্তির প্রক্রিয়া ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো ঠিক কখন স্বাক্ষর করবেন তা নিশ্চিত করা কঠিন। কিন্তু আলোচনার প্রগতি পরিষ্কার রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, “এখনো কিছু ভাষাগত বিষয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমরা অনেক প্রগতি করেছি। ইরান সৎ উদ্দেশ্যে চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছে এবং উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে চায়।”
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেনসেট একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে মত দেন। তিনি মনে করেন যে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির প্রাথমিক ভিত্তি খুঁজে পেয়া হয়েছে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া কিছু শর্ত পূরণ হয়নি বলে তিনি জানান।
বেনসেট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প খারাপ কোনো চুক্তি করবেন না। তিনি আমেরিকান জনগণের জন্য দুর্দান্ত চুক্তি করবেন।”
গত ৭ এপ্রিল থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বলে তিনি জানান।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সম্ভাব্য ৬০ দিনের চুক্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা হবে কিছু ধরনের টোল বা হয়রানি ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে সাধারণ জাহাজের চলাচল। ইরানকে ৩০ দিনের মধ্যে সেই অঞ্চলে সব নৌমাইন সরিয়ে দিতে হবে বলে কথা হচ্ছে। এর বিনিময়ে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চুক্তিতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত কীভাবে সমাধান করা হবে তা আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
এই চুক্তির অগ্রগতি ও সম্পর্কে কথা বলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় শান্তিচুক্তির ওপর ভরসা রাখেন। আমাদের যা করেছি সবই আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ।” এখন পর্যন্ত চুক্তি স্বাক্ষর করবেন কি না তা দুই দেশের আরো আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।