News

‘ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই’

‘ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই’ ছ ল র কবরট অন তত দ - ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই – বৃদ্ধ বাবার এ কথার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার ছেলে জনি নিখোঁজ হয়ে গেছেন।

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. ‘ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই’
  2. গুম ঘটনার জন্য প্রতিক্রিয়া চাই

‘ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই’

ছ ল র কবরট অন তত দ – ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই – বৃদ্ধ বাবার এ কথার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার ছেলে জনি নিখোঁজ হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে নিয়ে গেছে, কিন্তু আজও জানি না সে কোথায়। বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে—সেটাও জানি না। অন্তত তার কবরটা দেখে মরতে চাই।” নিখোঁজ ছেলের খোঁজে প্রায় এক দশক ধরে বাবা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, যেখানে সে কোথায় আছেন তা নিয়ে বিভিন্ন আশা ও দুঃখ ছড়িয়ে পড়ছে।

মানববন্ধন দিয়ে গুমের প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে

শনিবার (২৩ মে) সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠিত মানববন্ধনে গুম বিষয়ে সাধারণ সংকট তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহের উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ পরিচালিত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে জনি কবরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও কোনো প্রতিক্রিয়া আসছে না। সংগঠনের বক্তব্য অনুসারে, দেশে বছর বছর গুম ঘটনা ঘটছে, কিন্তু অনেক পরিবার এখনো ন্যায়বিচার পেয়েছে না।

“জনি নিখোঁজ হয়ে গেছেন, কিন্তু তার কবর দেখে মরতে চাই। অন্তত ওসি এমদাদসহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলেও তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।”

তিনি বলেন, “বিশেষ করে ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই। তার জীবিত অবস্থা বা মৃত অবস্থা নিয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।”

গুম বিষয়ে তদন্ত কোনো আশা নেই

দেশে দীর্ঘ এক দশক ধরে ছেলের সন্ধান না পেয়ে পরিবারটি মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। গুম ঘটনার পর থেকে তারা তদন্তে প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন কিনা তা সন্দেহ করছেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কামরুল ইসলাম, শাহজাহান আলী মিটন এবং হাফিজুর রহমান। তাদের মধ্যে গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের অংশ নেওয়া হয়।

মানববন্ধনে প্রধান আবেদন দেওয়া হয়েছে গুম ঘটনার বিষয়ে স্পষ্ট তদন্ত চালানো ও সংকট দূর করার দাবি। পরিবারের আবেদন সত্ত্বেও বিশেষ করে ছেলের কবরটা অন্তত দেখে মরতে চাই এ মন্তব্য এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পেয়েছে না। সংগঠনের মতে, দেশে গুম হওয়া ব্যক্তির জন্য আইনি আওতা ছিল না এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল।

গুম ঘটনার জন্য প্রতিক্রিয়া চাই

সংগঠনের পক্ষ থেকে চারটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়েছে: প্রথমে জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন পাস করা হতে চাই। দ্বিতীয়, গুম হওয়া ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি এবং ব্যাংক হিসাব তাদের স্ত্রী-সন্তানদের পরিচালনার আইনি সুযোগ দেওয়া হতে চাই।

তৃতীয়, ভারতের কারাগারে বাংলাদেশি নিখোঁজ ব্যক্তি আছে কি না তা জানতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হতে চাই। চতুর্থ, ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তি নিশ্চিত করা হতে চাই। এছাড়াও গুমের সঙ্গে �

Leave a Comment