অ্যানালগ আর ডিজিটাল যুগের রিপোর্টার | সংবাদ
নাম বুঝতে ব্যাঘাত
অ য ন লগ আর ড জ – টিএন্ডটি ফোনে খবর কল করে উপস্থিত হয়েছিল একটি শহরের নাম সানকিপাড়া বলে শুনলাম, কিন্তু আমি তা বুঝতে পারিনি। ঢাকা থেকে বাসে চড়ে ময়মনসিংহ টার্মিনালে পৌঁছলাম। রিকশাওয়ালাকে কি করে এমন জায়গার নাম বলতে হবে না কেন আমি মুখে যা-ই বলি না কেন তিনি ভুল করেনি। রিকশা চলছিল ময়মনসিংহ শহরের ধ্বংসপুর্বক ইটের খোয়া রাস্তার মধ্য দিয়ে। এই ঘটনাটি ছিল বিশেষ একটি শহর অনুভব করার পরিচয়।
‘উডুন, যাইতাম।’ চালক উত্তর দিল।
৮০ এর শেষে সাংবাদিকতার শুরু
১৯৮৯ সালের শেষ দিকে আমার সাংবাদিকতা শুরু হয়েছিল। তখন কম্পিউটার বা অনলাইন পোর্টাল ছিল না। খবর সংগ্রহে হতে হতো অনেক সতর্ক ও যত্নবানভাবে। লেখার সময় এখন মতো হাতে করে পাঁচটি পোর্টাল খুলে দেখার সুযোগ ছিল না। কপি পেস্ট করা হতো না। প্রত্যেক রিপোর্টার নিজের মেধা দিয়ে লিখতেন স্ক্রিপ্ট। অ্যাসাইনমেন্ট কালে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নোট নিতে হতো। তারপর সেটি বারবার খুঁজে দেখতে হতো লেখার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়ে না যাওয়ার জন্য।
তখন পুরোনো তথ্য খুঁজতে হতো পাবলিক লাইব্রেরি, প্রেস ইনস্টিটিউট বা পত্রিকা অফিসের পুরোনো পত্রিকা ঘাঁটতে হতো। প্রত্যেক রিপোর্টারের লেখার ঢঙ ছিল আলাদা। একই অ্যাসাইনমেন্ট কালে বিভিন্ন পত্রিকায় ভিন্ন ভাষার সাথে রিপোর্ট হতো। দৈনিক ইত্তেফাকের নাজীমউদ্দিন মোস্তান, মতিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক বাংলার জহিরুল হক, সংবাদের শওকত মাহমুদ, মোনাজাত উদ্দিন, বাংলার বাণীর ফারুক কাজী, খবরের আশরাফ খান, সুনীল ব্যানার্জি, শফিকুর রহমান, অরুণাভ সরকার, মাহমুদ শফিক, সৈকত রুশদী এদের স্বাধীন ঢঙে লেখা ছিল নিয়মিত।
প্রকাশ প্রক্রিয়া
টাইপো প্রেসের যুগে ছিল সংবাদ বের করতে হতো কতো ঝক্কি-ঝামেলা পোহানো। নিউজ প্রিন্ট কাগজে স্ক্রিপ্ট লিখতে হতো এক ফুট বাই ৬ ইঞ্চি প্যাডে। কপি এডিট করতেন নিউজ এডিটর কলম খুঁচিয়ে। পরে টাইপ হয়ে যেতো প্রুফ রিডারের টেবিলে। তারা এসএসসি পরীক্ষার মতো জোরে জোরে স্ক্রিপ্ট পড়ে ভুল সংশোধন করতেন। কম্পিউটার রুমে সংশোধিত কপি প্রিন্ট হয়ে যেতো ট্রেসিং পেপারে। কম্পিউটার র�