গরু নিয়ে রাজনীতি
গর ন য় র জন ত – তার পর দুই বাংলায় আগের ঈদ সমাপ্ত হওয়ার আগে সর্বাধিক আলোচিত বিষয়টি ছিল গরু কোরবানি বিষয়ে আলোচনা। ভারতের ক্ষমতাসীন সরকার গরুকে ‘গো-মাতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এজন্য দেশটিতে গো-হত্যাকে অনেক স্থানে অন্যায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাই বিভিন্ন অঞ্চলে গরু জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি মূলত পশ্চিমবঙ্গকেন্দ্রিক, কিন্তু এটি বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তাদের দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নেতৃত্বে কয়েক দিন আগে একটি নির্দেশনা জারি করেছেন যেখানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে গরু ও মহিষ জবাই করার জন্য অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। গরুর বয়স কমপক্ষে ১৪ বছর হতে হবে। সেই বিধির কারণে এবার ঈদুল আজহার আগে অনেক মুসলিম ব্যবসায়ী গরু কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের অনেকে হিন্দু গরু ব্যবসায়ীর মধ্যেও হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ভারতে গো-মাংস রপ্তানির প্রায় ১৬ শতাংশ ভারত থেকে আসে। রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক সমীক্ষা অনুযায়ী গো-মাংস সরবরাহকারী দেশের তালিকায় ভারত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ব্রাজিল প্রথম, অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় স্থানে। ভারতের অবস্থান বৈশ্বিক মাংস বাজারে শক্তিশালী হচ্ছে। বিশ্বের বৃহত্তম মাংস রপ্তানিকারক ব্রাজিলের পর ভারত দ্বিতীয় স্থানে।
গো-মাংস রপ্তানি ভারতের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। রাজ্যভেদে গরু জবাই নিয়ন্ত্রণ থাকলেও জাতীয়ভাবে কোনো একক আইন নেই। ব্যবসায়ীরা শিথিল বিধির অঞ্চল থেকে গরু সংগ্রহ করে রপ্তানি কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আল্লানা গ্রুপ। গ্রুপের চেয়ারম্যান এস. আর. আল্লানা ও ফয়জান আল্লানা। এছাড়া আল কবির এক্সপোর্টস এবং আরও কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান এই খাতে সক্রিয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরু ও মহিষের মাংস রপ্তানি করে। এ থেকে আয় হয় প্রায় ৪৩০ কোটি