ধলাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, সেতু এবং বাসস্থান সম্মুখীন হুমকি
ড র জ র ব ল উত – ড্রেজার বালু উত্তোলনের কাজ ধলাই নদীতে বিপাকে চলছে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীতীরে এই অবৈধ কার্যক্রম সারাদিন চলছে, যা সেতু সহ নদীতীরবর্তী এলাকার বহু বসতি এবং প্রতিরক্ষা বাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন যে প্রশাসনের কার্যক্রম প্রতিকার ছাড়া চলছে, যাতে পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং সারাদিন বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরবর্তী বাসস্থানে প্রাণহানির আশঙ্কা ছাড়া থাকেনা।
ড্রেজার বালু উত্তোলনের প্রভাব
তথ্য অনুযায়ী, কমলগঞ্জ পৌর এলাকার ভানুগাছ বাজার সংলগ্ন ধলাই নদীতে ড্রেজার বালু উত্তোলন বছর গুলি ধরে চলছে। প্রকাশ্যে চলছে এই কর্মকান্ড কারণে সেতুর ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে আসছে এবং নদীতীর ভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কমলগঞ্জ থানা থেকে এক কিলোমিটার দূরে এই কাজ বেশি জোরে চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেছেন এবং এ ব্যবস্থাপনা জরুরি বলে দাবি করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ড্রেজার বালু উত্তোলনের ভিডিও প্রকাশ করে দৈনিক ইত্তেফাকের কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মো. নুরুল মোহাইমীন মিল্টন বলেন, সরকারি ইজারা বহির্ভূত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে যাতে নদীতীরবর্তী বাসস্থান ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এ কাজ বন্ধ না হলে কোনও সময়ে সেতু বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে।
বাসিন্দাদের আপত্তি ও আন্দোলন
পোস্টে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর প্রতিকার না হওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন যে ড্রেজার বালু উত্তোলন কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় এবং নদীতীর ভাঙন বৃদ্ধি পেয়ে সম্ভবত এলাকার জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসাবে সংশ্লিষ্ট অধিকারীদের সাথে পরামর্শ করার দাবি ও বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে দাবি করেন বাসিন্দারা। তারা প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সমস্যার আবেদন করে চলছেন। একটি স্থানীয় মানুষ বলেন, ড্রেজার বালু উত্তোলন চালু হওয়া থেকে এলাকার কয়েক বছর ধরে নদীতীরবর্তী বাসস্থানে আকাশ গুলি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বর্তমানে এ অবৈধ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও সরকারি অবকাঠামো রক্ষার জন্য আরো সময় প্রয়োজন বলে মনে করছে প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, প্রতি দিন নদীতীর এলাকার বাসিন্দাদের প্রাণ ও সম্পদ রক্ষা করতে হবে। ড্রেজার বালু উত্তোলন কাজের সমাপ্তি না হলে নদীতীর ভাঙন বৃদ্ধি পেয়ে কোনও মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
অন্যদিকে সেতু নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। নদীতীর এলাকায় ড্রেজার বালু উত্তোলনের কারণে গুরুত্বপূর