বিচারকের রায় ঘোষণা: দলিল লেখক মিন্টু হত্যামামলায় ১২ বছর পর বিচারের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে
দল ল ল খক ম ন ট – ময়মনসিংহের স্পেশাল জজ আদালতে বিচারক ফারহানা ফেরদৌস দ্বারা বিচার করা হয়েছে দলিল লেখক মিন্টু হত্যামামলার সমাপনী রায়। আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দশজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। মামলাটির আদালতে প্রথম কার্যকরী রায় প্রকাশ করা হয়েছিল ২০১১ সালে অক্টোবরে, কিন্তু প্রায় দুই দশক ধরে আসামীদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দেশ প্রদান করা হয়নি। সেই বিচারের আদেশ আপিল করা হয়েছিল, যার ফলে বর্তমান রায় ঘোষণা হয়েছে। দলিল লেখক মিন্টু হত্যামামলা পুনর্বিচারের প্রক্রিয়ায় আসামীদের প্রতি সামান্য সমর্থন পায় নি, কারণ এটি প্রায় দুই দশকের পর প্রকাশ করা হয়েছে।
মামলার পরিস্থিতি ও সাক্ষ্যের অর্থ
প্রতিবেদনে দলিল লেখক মিন্টু হত্যামামলার সাক্ষ্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আদালত বিচার করেছে। আসামীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এমন প্রমাণ প্রস্তুত করতে হবে যা মৃত্যু বা যাবজ্জীবন দণ্ডের প্রমাণ প্রদান করে। বিচারকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আসামীদের সম্মুখে এখন আর কোনো স্থায়ী বিকল্প রয়েছে না। মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুই জনের সাথে সম্পূর্ণ সামান্য যোগাযোগ ছিল না। তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ হত্যার প্রমাণ কোনো আপত্তি ছাড়া স্থাপন করা হয়েছে।
প্রাথমিক বিচারে আসামীদের দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আপিল পর্যায়ে মামলার প্রক্রিয়া পুনর্বিচার করা হয়। দলিল লেখক মিন্টু হত্যামামলায় রায় স্থায়ী হওয়ার পর আসামীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ অব্যাহত থাকেনি। আদালত বিচারকের বিজ্ঞান ও আধুনিক পদ্ধতিতে রায় প্রকাশ করা হয়েছে। এটি কারাদণ্ডের প্রমাণ অনুযায়ী অবশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মূল ঘটনা ও প্রতিবেদন
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি দুই জন ছিলেন মো. ফরিদ খলিফা এবং মো. মাসুদ মিয়া। তাদের প্রতিটি আসামিকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত দুই আসামিকে বিচারের সময় প্রাথমিক আসামীদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিকতা প্রমাণ করে। এই রায়ে দলিল লেখক মিন্টু হত্যার ঘট