সেলুন বিস্ফোরণ: একটি ভয়াবহ ঘটনা
স ল ন ব স ফ রণ – সেলুন বিস্ফোরণের ঘটনার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন দগ্ধদের চিকিৎসার পরিস্থিতি খোঁজ নিয়ে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পৌঁছেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় সেই ঘটনার কারণ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণের জন্য মন্ত্রী এসব আহত ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করেন। ঘটনার পর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সেলুন বিস্ফোরণে মোট ১০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মো. ফারুকের শরীরের ৫০ শতাংশ, রিংকুর ২১ শতাংশ, রনির ১০ শতাংশ, জসিমের ৮ শতাংশ, রফিকের ১২ শতাংশ, সামশেদের ১৫ শতাংশ, রাজুর ১৮ শতাংশ, পাপ্পুর ১৮ শতাংশ, সাকিবের ১ শতাংশ এবং আরমানের শরীরের ১৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এই সেলুন বিস্ফোরণ ঘটেছে রাজধানীর আলু বাজার এলাকায়। ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, যুগ্ম পরিচালক ডা. ইকবাল আহমেদ এবং আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমানের সাথে সাক্ষাত করেন।
বিস্ফোরণ এবং আহতদের অবস্থা
সেলুন বিস্ফোরণ ঘটেছিল গত ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে। ঘটনার পর স্থানীয় স্থানে একটি বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেলুন বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে হাসপাতালের কর্মকর্তারা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। তাদের অনুসারে বিস্ফোরণের প্রকৃতি অস্পষ্ট। তবে সেলুন বিস্ফোরণ ঘটার সময় সাইটে গ্রাহকদের সংখ্যা ছিল বেশি। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়েছে। সেলুন বিস্ফোরণ ঘটার পর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা চলে। আহতদের ক্ষেত্রে চারপাশে দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তৈরি করে প্রকল্প চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তারা আগ্রহী
সেলুন বিস্ফোরণের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বিস্তারিত খোঁজ নেন। তিনি এসব আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক ও প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। কর্মকর্তারা বলেন যে সেলুন বিস্ফোরণে আহতদের সংখ্যা নির্দিষ্ট করেছে বার্ন সার্জারি ইনস্টিটিউট। প্রতিবেদন অনুযায়ী বিস্ফোরণ ঘটার পর সামগ্রিক অবস্থা ভালো নয়। তবে সার্থক চিকিৎসার জন্য সরকারি পরিচালন করা হয়। এই ঘটনার পর সেলুন বিস্ফোরণ সম্পর্কে কমিটি গঠন করেছে।
সেলুন বিস্ফোরণে আহতদের মধ্যে কয়েকজন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। এই ঘটনার পর ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা বলেন যে আহতদের অবস্থা ভালো নয়। সাথে সেলুন বিস্ফোরণ ঘটার কারণ বিশ্লেষণ চলছে।