রাজউক হাতিরঝিল লেকে পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে
হ ত রঝ ল ল ক পর – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ জানান, শনিবার (৩০ মে) সকাল হতে হাতিরঝিল লেকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিষ্কার কর্মসূচি আরম্ভ করেছে। এই কার্যক্রম বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সম্মুখে বিশাল পরিমাণে ময়লা দূর করার জন্য পরিকল্পিত হয়েছে, যার প্রধান লক্ষ্য হাতিরঝিল লেকের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।
প্রধানমন্ত্রী কোরবানির বর্জ্য পরিদর্শনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ও আবর্জনা জমে থাকার কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে ময়লা সংক্রান্ত দুর্নীতি দূর করার জন্য দুই আঞ্চলিক উপসচিবকে সাময়িক দরখাস্ত জারি করা হয়েছে। রাজউক কার্যক্রমের মাধ্যমে হাতিরঝিল লেক বিশেষ করে পরিষ্কার করতে এ বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কার্যত কোন সফলতা নেই বলে তিনি আরো বিশদ বিবরণ দেন।
প্রধানমন্ত্রী এই কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট এবং কারওয়ান বাজারের কোরবানির বর্জ্য সংক্রান্ত কাজে। প্রতিবেশী অঞ্চলে নতুন ময়লা জমে যাওয়ার কারণে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দায়িত্ব পূরণের প্রক্রিয়া বিশেষ করে হাতিরঝিল লেকে অসমাপ্ত রয়েছে।
“হাতিরঝিল লেকে সকাল থেকে পরিষ্কার কর্মসূচি আরম্ভ করেছে রাজউক এর অংশ হিসেবে।”
হাতিরঝিল লেকে সম্প্রতি বিশেষ কার্যক্রম চালু
রাজউক পরিষ্কার কর্মসূচি চালু করেছে হাতিরঝিল লেকে বিশেষ করে সরকার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চাইছে। এই পরিষ্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে লেকের বিভিন্ন অঞ্চলে ময়লা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালু করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় মানুষদের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে যাতে হাতিরঝিল লেক পরিষ্কার রাখার জন্য প্রতিবেশীদের সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব হয়।
রাজউক পরিষ্কার কর্মসূচিতে হাতিরঝিল লেকের চারপাশে আবর্জনা সংগ্রহ করে আবর্জনা বিশেষ করে বর্জ্য গুলো পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ করে স্থানীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে। কোরবানির বর্জ্য এর প্রতিক্রিয়া হাতিরঝিল লেকে বিশেষ করে সম্প্রতি মূল্যবান করে দেখা যাচ্ছে।
পরিষ্কার কর্মসূচি