দক্ষিণবঙ্গে ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে বিপর্যস্ত জনজীবন
ঝড় লন ডভন ড দক ষ ণবঙ – মুহূর্তের মধ্যেই কলকাতা এবং বিস্তৃত এলাকায় প্রবল ঝড়ের আঘাতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটারে পৌঁছে এক যুবক আম কুড়োতে গিয়ে ডাল ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর শিকারি হন। অন্যদিকে ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশনের ছাদ ভেঙে বৃষ্টির জল ঢুকে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি শহরতলি এলাকায় গাছ ভেঙে পড়ায় পরিবহণ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আচমকা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা কলকাতা বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখতে হয়। ঝড়ের প্রভাবে শহরের অন্তত ৩৬টি জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া যায়। একই সময় সাউথ সিটি মলে কাচ ভেঙে জল ঢুকে পড়ায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
মৃত মানুষের প্রতি সরকারের সহায়তা ঘোষণা
ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শোক প্রকাশ করেন এবং ঘোষণা করেন মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। নবান্ন থেকে জানানো হয় যে আহতদের চিকিৎসার খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে এবং দ্রুত সুস্থ করে তোলা প্রশাসনের প্রধান কাজ।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি এবং পরিকাঠামোর খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতর দক্ষিণবঙ্গের ছয়টি জেলায় ‘লাল সতর্কতা’ জারি করেছে এবং আগামী ঘণ্টাগুলির জন্য ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা দেখানো হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষকে অপ্রয়োজনে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্য সরকারের ঘোষণায় সাধারণ মানুষের প্রতি স্বস্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতি বছর এই ধরনের ঝড়ে একই সমস্যার সামনে আসায় প্রস্তুতি এবং পরিকাঠামোর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে উঠছে।
যদিও প্রকৃতির রুদ্ররূপে ক্ষয়ক্ষতি পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়, তবু আগাম সতর্কতা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষা আরও গুরুতর করলে প্রাণহানি বেশি কম হতে পারে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রশাসনের দ্রুত ক্রিয