সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোট ৩৭ শতাংশের কম
স প র ম ক র ট – ২০২৬-২০২৭ সালের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (এসসিবিএ) নির্বাচনে ভোট দেওয়ার হার বিগত বছরগুলোর তুলনায় খুব কম হয়েছে। দুই দিনব্যাপী আয়োজিত নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১১ হাজার ৯৭ জন, কিন্তু এই সময়ে মাত্র ৪ হাজার ৪৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তাই ভোট দানের হার গড়ে সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজারের মধ্যে ছিল, কিন্তু এবারে এটা প্রায় ৪ হাজারে পৌঁছেছে।
ভোট বর্জন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদন
নির্বাচন পরিচালনা করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী নেতৃত্বে অবস্থান করে। তিনি দাবি করেন যে বর্তমানে ভোট দানের হারে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। গত চার বছরে নির্বাচনে ভোট দানের হার প্রায় সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজারের মধ্যে ছিল, কিন্তু এবার এটি কমে পড়েছে সাড়ে ৩ হাজারে। তিনি বলেন, “আগে এই সিস্টেম ছিলো না, এখন তো অন্য সিস্টেম হইছে। আগে হাল্কা আওয়াজ ছিলো, আনন্দ ফুর্তি ছিলো। আমরা সারারাতই ফুর্তি করতাম। কিন্তু এই মারামারি, হাউকাউ ছিলো না।”
“বিশেষ করে লাস্ট যে ইলেকশনটা, আমরা তো বাইরে, ভিডিওতে দেখছি। গ্যালারিতে সবার হাতে পকেটে মোবাইল, সব ওই টিপে পাঠায়ে দিচ্ছে। যে এইটার ভিতরে মারামারি, এবং ওই যে দুইজনরে সেক্রেটারি ডিক্লেয়ার করতে হইছে। ইলেকশনের যিনি দায়িত্বে ছিলেন উনি বাধ্য হইয়া এগুলা করছেন। তো যাক, আমরা তো সেই সিচুয়েশনটা হয় নাই, আশা করি ভবিষ্যতেও হবে না।”
অভিযোগ এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্তব্য
নির্বাচন সাব-কমিটি উড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ ভোটারদের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন এসসিবিএ প্রার্থী মোস্তফা আসগর শরীফী। তিনি বলেন, “যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে, সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় লিখিতভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন অফিশিয়ালি কোনো জবাব দেয়নি। এই অফিশিয়াল জবাবটা সাধারণ ভোটারের জানার জন্য জরুরি ছিল।”
ভোটার উপস্থিতির হার নিয়ে তিনি জানান, “ভোটের হার কম ছিল, তবে যতটুকু কম মনে করা হয়েছিল আসলে ততটুকু কম হয়নি। ৪ হাজারের ওপরে ভোট কাস্ট হয়েছে, এটা মোটামুটি সন্তোষজনক।”
নির্বাচন পরিবেশ ও সময়সূচী পরিবর্তন
২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ ১১ ও ১২ মার্চ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সংশোধিত সময়সূচী অনুযায়ী এই নির্বাচন বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৫টায় শেষ হয়। এই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ এপ্রিল আইনজীবীদের মনোনয়নপত্র বাতিল