সান্তাহার ব্যবসায়ীদের মুখে রেল ভূমি ভাড়া বৃদ্ধির বিপাক
র ল র ভ ম ভ ড় – সান্তাহার রেলওয়ে ভূসম্পত্তি বিভাগ বাণিজ্যিক ও কৃষি খাতের ভূমি ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করেছেন। বর্তমান অর্থবছরে ভাড়া গ্রাহকদের ক্ষোভ ছড়িয়ে দিয়েছে এই সিদ্ধান্তের কারণে চরম তীব্রতা। গত অর্থবছরে অব্যাহত ভাড়া হার অনুসারে বিধিবিধানে কোনও পূর্ব নোটিশ ছাড়া এই পরিবর্তন ঘটেছে।
এ অর্থবছরে কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করেছেন প্রতি বর্গফুট ভাড়া বাণিজ্যিক খাতে বাড়িয়ে ৮০ টাকা। বাকি অর্থবছরের বকেয়া ভাড়া যোগ করে এই হারে পরিশোধ করতে হবে। সান্তাহার রেলওয়ে ভূসম্পত্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমিন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।”
বিষয়টি জানতে চাইলে আব্দুল মহিত তালুকদার বলেন
রেলওয়ে ভূমি ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে আমি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করব। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সান্তাহার রেলওয়ে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের লাইসেন্সগ্রহীতা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়া।”
প্রতি বর্গফুটে ভাড়া যে হারে নেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে চাষিরা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে এক কর্মচারী জানান, “গত বছরের অতিরিক্ত ৩৫ টাকা যেন না নেওয়া হয় সে জন্য অফিস থেকে অনুরোধ করা হলেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তা গ্রাহ্য করেনি।”
রেলওয়ে কৃষি ভূমি ভাড়া বৃদ্ধি করেছে বাণিজ্যিক খাতের পাশাপাশি। প্রতি একর ভাড়া আগে ৬ হাজার টাকা ছিল এখন বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কৃষি খাতে বিপাক আসার আশঙ্কা উপস্থিত হয়েছে।
খায়রুল ইসলাম বলেন, “আমার ১৩০ বর্গফুটের একটি দোকান রয়েছে। গত বছর বার্ষিক ৭ হাজার টাকা ভাড়া দিলেও এবার একই দোকানের জন্য ১৮ হাজার টাকা দিতে হবে।”
সান্তাহার নাগরিক কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম জানান, “রেলওয়ে জেলা শহর ও পৌর শহরে একই হারে ভাড়া নির্ধারণ করেছে যা চরম বৈষম্যমূলক। একটি জেলা শহর ও পৌর শহরের ব্যবসার ব্যাপক পার্থক্য থাকার সত্ত্বপক্ষে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।”