সিন্ডিকেটের কবলে কোরবানির চামড়ার বাজার | সংবাদ
স ন ড ক ট র কবল – বর্তমানে কোরবানি পশু থেকে সংগৃহিত চামড়া মাদ্রাসাগুলোকে আর্থিক ক্ষতিতে ফেলেছে। গত দশকে এই বাজারে নিয়ন্ত্রণের ধস লাগানো হয়েছে কোরবানির সামগ্রী বিক্রি সম্পর্কে গুরুতর সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর ফলে মাদ্রাসার শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত সালে চামড়ার মূল্য ছিল তিন থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে, কিন্তু বর্তমানে সেই একই মানের চামড়া তিনশ’ থেকে পাঁচশ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গত এক দশকে চামড়া বাজারে প্রান্তিক হারে দাম কমেছে। লবণ দাম এবং শ্রমিক মজুরি বাড়তে থাকলেও চামড়া দামে আরও বেশি হারে হ্রাস হচ্ছে। এতে মাদ্রাসাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বাজারে চামড়ার ন্যায্য মূল্য থাকলেও সেটি পাওয়া যায় না। মাদ্রাসার সংগ্রহকারীদের অভিযোগ, চামড়া বিক্রয়ে সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে অসাধু কারসাজি চালানো হচ্ছে।
একজন মাদ্রাসা শিক্ষক বলেন: “কোরবানির দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চামড়ার দাম কিছুটা থাকে, কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে। সন্ধ্যার পর দাম অর্ধেকে নেমে আসে, গভীর রাতে আরও কমে যায়। এমন পরিস্থিতি হয়েছে যে কোরবানির পরের দিন চামড়া বিক্রির মূল্য খুব কম বা শূন্য হয়ে যায়।”
গত সালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চামড়া বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য কর্মকান্ড চালিয়েছেন। তাদের দাবি, কোরবানির চামড়ার মূল্য স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত হওয়া দরকার। কোরবানির দিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাদ্রাসাগুলো গড়ে চার থেকে পাঁচশ’ বা তার বেশি চামড়া সংগ্রহ করে। কিন্তু ট্যানারির সঙ্গে চুক্তি থাকলেও টাকা সময়মতো পাওয়া যায় না। বকেয়া টাকা আদায় করতে মাসের পর মাস ঘুরতে হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত মূল্য না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহকারীদের ক্ষুব্ধ করেছে। এখন সেই দামের প্রতিফলন নেই বাজারে। সরকার কিনতে চান না কোনো ফড়িয়া বা আড়তদার চামড়া। চামড়া ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বে সি�