সাড়ে ৬ কোটি বছর আগের সেই শেষ ২৪ ঘণ্টা!
স ড় ৬ ক ট বছর আগ – একটি সময় যাওয়ার মতো টাইম মেশিনে চড়ে পেছনে ফিরে যাওয়া যাক। প্রায় সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে গ্রহটি ছিল প্রাণীদের শাসনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির মাঝে। সকাল ছিল সাধারণ হালকা সময় এবং ডাইনোসররা স্থায়ী রাজত্ব করছিল। বিশাল টি-রেক্স থেকে ডুবোন্ত প্রাণী পর্যন্ত সব ছিল সুন্দর হালকা দিন। কিন্তু তারপর এক ভয়াল মুহূর্তে আগুনের আঘাত ছিল ক্ষণিক সময়ের মধ্যে বিপর্যয়ের শুরু।
শেষ মুহূর্তে ভূমিকম্প ও আকাশ তাপতরঙ্গ
সূর্যের চেয়েও উজ্জ্বল আলোর একটি পিণ্ড আকাশে এসে ছিটকে দেয়। মাউন্ট এভারেস্টের সমান আকারের গ্রহাণু ঘণ্টায় প্রায় ৭২ হাজার কিলোমিটার গতিবেগ সহ আঘাত করে পৃথিবীর উপরে। আজকের মেক্সিকোর ইউকাটান উপদ্বীপে এই বিপর্যয়ের কেন্দ্র ছিল চিকসুলুব গর্ত। সেদিন ছিল প্রাণীদের শেষ অধ্যায়। আঘাতের ফলে গলিত পাথরের ফোয়ারা হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে ছিটকে পড়ে।
আগুনের গোলার স্পর্শে মুক্ত হয়েছিল কিছু ক্ষণ। পুরো আকাশ ছিল তাপতরঙ্গে আচ্ছন্ন। দূরের ডাইনোসরদের মৃত্যুর সম্ভাবনা হয়ে ওঠে। বনের আগুন উঁচু উঁচু ধ্বংস করে। গবেষকদের মতে, পৃথিবীর ৭০ শতাংশ বন আগে থেকে ধ্বংস হয়ে গেছিল। বায়ুমণ্ডলে সূর্যালোকের সুন্দর স্থান হতে উড়ে গেল।
যে ডাইনোসররা আগুন ও সুনামি থেকে বেঁচে গিয়েছিল, তারা খাবারের অভাবে ধ্বংস হয়েছিল। বিশাল তৃণভোজী ডাইনোসরদের বেঁচে থাকার জন্য প্রচুর সবুজ পাতার দরকার পড়ত। কিন্তু বন আগেই পুড়ে গেছে। নতুন গাছ জন্মাচ্ছে না। তাই তারা একে একে মারা গেল।
পরবর্তী ক্ষণে উষ্ণ পৃথিবী হিমঘরে পরিণত হয়। চিরস্থায়ী রাত ছিল পৃথিবী জুড়ে। সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে গেল। খাদ্যশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ল। গড় তাপমাত্রা প্রথম বছরে নামে ১০-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অতিমার আবহাওয়া ছিল সব দিকে।
গবেষণার সাক্ষ্য আর জীবনের নতুন পরিচয়
বিজ্ঞানীদের কাছে একটি স্তরে অস্বাভাবিক ‘ইরিড