শ্রীমঙ্গলে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে জানুয়ারি মাসে
বানর কুকুরদের আক্রমণে বিপদে পড়েছিল
শ র মঙ গল উদ ধ র – মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আমরাইল ছড়া চা বাগান এলাকায় বুধবার রাতে ঘটেছে একটি শ্রীমঙ্গল উদ্ধার ঘটনা। সেখানে একটি লজ্জাবতী বানর কুকুরদের আক্রমণে পড়ে আটক হয়। গাছ থেকে অন্য গাছে চলার সময় বানরটি ভূমিষ্ঠ হয়ে একটি বড় আঘাত পায়। ঘটনাস্থলে তিনটি কুকুর দ্বারা বানরকে প্রতিহিংসা করা হয়। স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের অবহিত করে বানরটি নিরাপদে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
শ্রীমঙ্গল উদ্ধার কাজে স্থানীয় বাসিন্দা প্রদীপ দাশ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কুকুরদের চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং বানরটিকে বাঁচানোর জন্য গামছা ব্যবহার করেন।
এই প্রাণী বিপদের পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের আপত্তি প্রকাশ করেন। তাদের মতে, শ্রীমঙ্গল উপজেলার এই ঘটনা মানুষের সাথে প্রাণীদের সম্পর্ক স্থাপনের একটি ভালো উদাহরণ। স্থানীয় বাসিন্দা পরিবেশ সংক্রান্ত কর্মীদের সাথে পরামর্শ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেন। তিনি শিক্ষক আপন দাশকে ঘটনার বিবরণ দেন যার পর নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।
বানরটি শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী বিভাগে হস্তান্তর করা হয়
শ্রীমঙ্গল উপজেলার বানর উদ্ধার ঘটনার পর বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাদের সাহায্যে বানরটি সুরক্ষিত করা হয় এবং শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি দ্বারা প্রাণী সংরক্ষণ কাজে অবদান রাখা হয়েছে বলে আশা করা হয়।
বানরটি শ্রীমঙ্গল উপজেলায় স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে প্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব প্রকাশ করেছিল। এই স্থানে লজ্জাবতী বানর গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা হয় যে এই ঘটনাটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ প্রকল্পগুলোকে আরও জোর দেবে।
আপন দাশ শিক্ষক হিসেবে নিজের আশাবাজী ও নিয়োগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গল উদ্ধার ঘটনাটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক অনুরক্তি তৈরি করেছে। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায় যে মানুষ ও প্রাণী সম্পর্কে ভালো পরিচিতি থাকলে বিপদ থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
একটি লজ্জাবতী বানরের বিপদ বাঁচিয়েছেন পরিচালক
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় লজ্জাবতী বানর প্রাণী দুর্বল হওয়ার কারণ হতে পারে শিকারীদের সমাগম। তিনি বানরটিকে প্রাণী বিভাগের হাতে হস্তান্তর করে দেন। এই প্রাণী পুনরুজ্জীবন করা হবে যাতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার প্রাকৃতিক বিপুলতা সুরক্ষিত থাকে।