মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনা এড়াবেন যেভাবে
ঈদুল আজহার পরে কাজের ঝুঁকি
ম স ক টত গ য় দ – ঈদুল আজহার সকালে কোরবানি সমাপ্ত হওয়ার পর সমগ্র পরিবেশ একটি আকর্ষণীয় হাবভাবে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই সময় পশু জবাই করা থেকে মাংস কাটা, ভাগাভাগি ও সংরক্ষণের কাজ সামনে আসে। যাদের পরিবারে কোনো পেশাদার কসাই নেই, তারা অনেকে ছুরি-বঁটি হাতে কাজ করেন। এখানেই বড় ঝুঁকি স্থান পায়।
অনভ্যস্ত হাতে ছুরি ব্যবহার করলে হাত কেটে যাওয়া, পেশি আঘাত বা রক্ত সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি হয়। তাই কাজের সময় নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা অপরিহার্য। ছুরির দিক ও হাতের অবস্থান দেখা সতর্কতার প্রধান শর্ত।
মাংস কাটার জায়গা অবশ্যই সমতল ও পিচ্ছিল নয় এমন হতে হবে। ভেজা মেঝেতে কাজ করলে পা পিছলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। বারান্দা বা উঠানে কাজ সারতে গিয়ে কেউ কেউ এ ঝুঁকি বোধ করেন না। তবে একটি স্থির জায়গা দুর্ঘটনার প্রথম বাধা হতে পারে।
ছুরি চালানোর সময় হাত দিয়ে মাংস ধরার জন্য নিশ্চিত করুন ব্লেডের বিপরীত দিকে হাত রাখা হয়। কোনো হাত দিয়ে চাপ দেওয়ার সময় অন্য হাতটি গতিপথ থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের এ জায়গায় থাকা বৃথা হবে না। ধারালো ছুরি, রক্ত আর বিশৃঙ্খল পরিবেশ থাকায় তাদের ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে ছোট আঘাত হলেও পরিষ্কার করে চিকিৎসা প্রয়োজন। পরিষ্কার পানি ও জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে। মাংস কাটার ছুরি ব্যবহার করার পর অন্য কাজে ব্যবহার করবেন না। সংক্রমণ রোধে এই সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকে তাড়াহুড়ো করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে অনভ্যস্ত হাতে ধীরে ও একাগ্রতা দিয়ে কাজ করা নিরাপদ। অভিজ্ঞ কসাইয়া তাদের কাজে একাগ্রতা আর ধৈর্য রাখেন। মাংস কাটার সময় হাত ভালোভাবে ধোয়া অপরিহার্য।
ঈদের আনন্দের মাঝেও নিরাপত্তা প্রথম অগ্রাধিকার। যদি পরিবারের সবাই সচেতন থাকে, তবে দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমে আসে।