মাইলস্টোন দুর্ঘটনার মামলার আবেদনকারীকে নিয়ে ‘চাঞ্চল্যকর তথ্য’ এক্স-ফোর্সেস’র
ম ইলস ট ন দ র ঘটন – বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের মামলা আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন করেছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য উসাইমং মারমা। তিনি পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন বিমান দুর্ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলেছিল। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উসাইমং মারমার পুত্র উক্য ছাইং মারমা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ত।
ঘটনার কারণ নির্ধারণে আবেদনের বিরুদ্ধে তথ্য বিতর্ক
১৬ জন বিমানবাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়ে তথ্য প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। সম্মানিত বিমান বাহিনী প্রধানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের পর আধুনিকায়ন কার্যক্রম, ফাইটার প্লেন ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের প্রকল্প সম্পর্কে প্রচারণা বিতর্কিত করা হচ্ছে। এই সংগঠন অভিযোগ করেছে যে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
‘গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, তাদের পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা এবং সদস্যদের মনোবল দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।’
২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষিকা, তিনজন অভিভাবক ও একজন পরিচালকসহ মোট ৩৫ জন মারা যাওয়ার ঘটনার আবেদন করেছিলেন উসাইমং মারমা। তাঁর দাবি প্রতিষ্ঠানটি সঠিক বিধি মোতাবেক নির্মাণ করা হয়নি এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকায় উদ্ধার কাজে ব্যাঘাত ঘটে। গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ার পর দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে প্রশিক্ষণ বিমান এফ-৭ বিজিআইকে উড্ডয়নের আদেশ দেওয়া হয়। নবীন পাইলট একা ওই যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করেছিল।
ঘটনার পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাঁর আবেদন খারিজ করেন বলে জানান হয়েছে। কারণ দেওয়া হয়েছে যে উপাদান না থাকার কারণে মামলা গ্রহণ করা হয়নি। উসাইমং মারমা বলেছিলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়েছিল। আসামিদের সরাসরি দায়িত্বে ও তত্ত্বাবধানে থাকা ত্রুটিযুক্ত প্রশিক্ষণ ছিল।’
গত ১১ মে ফেইসবুক লাইভে তিনি জানিয়েছিলেন যে তাঁর রাঙামাটির বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। বলেছিলেন, ‘আমি যে কারণে অবহেলা অভিযোগ তুলেছি তা নিয়ে কেউ কিছু জানে না। আমাকে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।’
‘প্রতিবেশীদের বাসায় পুলিশ আমাকে খুঁজছে। কেন? ওয়ারেন্ট আছে তাই আমাকে ধরতে চাইছে।’
উ