শরীয়তপুরে চিকিৎসককে আঘাতপ্রাপ্ত ও হামলা, ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঘটেছে ভাঙচুর ও চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যু
শর য়তপ র চ ক ৎসকক – শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগী একজনের মৃত্যুর পর তার জরুরি বিভাগে ভাঙচুর ও চিকিৎসককে আঘাতপ্রাপ্ত করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার সময় সেই চিকিৎসক নাসির ইসলাম মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। শনিবার (১৬ মে) তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।
গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার লাল মিয়া কাজী নামের এক ব্যক্তি বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসক তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। কিন্তু রোগীর অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রোগীর স্বজনেরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তারা দায়িত্বরত চিকিৎসক নাসির ইসলামের ওপর চড়াও হন এবং তাকে মারধর করেন। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক চিকিৎসককে ধাওয়া করে মারধর করতে করতে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে।
পরে পুলিশ গিয়ে আহত চিকিৎসককে উদ্ধার করে। আগে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আজ দুপুরে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আল আমিন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মিতু আক্তার জানান, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আগেই তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছিল। কিন্তু স্বজনেরা তাকে নিয়ে যাননি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনি পদক্ষেপ নেবে।
আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদ