মহেশপুর সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে বিজিবি
মহ শপ র স ম ন ত – মহেশপুর উপজেলার পাকরাইল সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন বাধা দেওয়ার জন্য মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কঠোর টহল ও নজরদারি ব্যবস্থা প্রতিদিন সীমান্ত এলাকায় চালু রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা বারবার ব্যর্থ করে দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র বর্ণনা করে যে, ভারতের নদীয়া জেলার বনগাঁ থানার টিলা ও সিঙ্গামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা রাতে বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে লোকজনকে সীমান্তে নিয়ে আসছেন এবং কাঁটাতারের সংলগ্ন এলাকায় জড়ো করছেন। তবে বিজিবির সচেতনতা ও ক্রমবর্ধমান নজরদারিতে এই প্রচেষ্টাগুলি সফল হচ্ছে না।
পাকরাইল গ্রামের ইউপি সদস্য মো. ইদ্রিস আলী বলেন, “সীমান্ত এলাকায় এর আগে কখনো এত বড় যানবাহনের উপস্থিতি দেখা যায়নি। প্রায় প্রতিদিন রাত ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ৫ থেকে ৩০ জন লোককে সীমান্তে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিজিবি তৎপরতার কারণে তারা সফল হতে পারছে না।”
সীমান্ত এলাকার সামান্তা ক্যাম্পে তত্ত্বাবধান করছেন হাবিলদার রেজাউল, যিনি নয় সদস্যের টহল দলকে পরিচালনা করছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিপন্থী। তারা সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করছেন।”
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, “বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা বিজিবির সাংবিধানিক দায়িত্ব। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রব