নতুন সরকার দুর্নীতি এবং নারী নির্যাতনের বিষয়ে দুটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছে
মমত র আমল র দ র ন – রাজ্যের পূর্ববর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কালে ঘটে যাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি ও নারী নির্যাতনের অভিযোগের বিরুদ্ধে নতুন সরকার আগ্রাণী পদক্ষেপের ঘোষণা করেছে। আগামী ১ জুন থেকে দুর্নীতি এবং নারী নির্যাতন বিষয়ে একটি দ্বিমুখী তদন্ত ব্যবস্থা চালু করা হবে।
তদন্ত কমিটি গঠন ও কার্যক্রম
সরকারি প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, কাটমানি করা হয়েছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি সম্পর্কে অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তারা প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রয়োজনে বিএনএস বা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের আওতায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
একইসঙ্গে কোষাগার থেকে আত্মসাৎ হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের দিকে আরও জোর দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষ ও আগে কাজ করা তদন্ত সংস্থার ব্যবহারকারীদের এই কমিটির কাছে সরাসরি অভিযোগ দায়ে আসতে পারে।
নারী নির্যাতন বিষয়ে আলাদা কমিশন
মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন যে, রাজ্যে ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে সমান গুরুত্ব দিয়ে আরেকটি আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন।
এই কমিশনে সদস্যসচিব হিসেবে আইপিএস কর্মকর্তা দময়ন্তী সেন অংশগ্রহণ করছেন। তিনি কলকাতা পুলিশের প্রথম মহিলা গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে পরিচিত। কলকাতা পুলিশ দ্বারা পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ মামলার তদন্ত করেছিলেন।
তদন্ত করার সময় সঠিক তথ্য সামনে আনার কারণে তিনি প্রাকৃতিক প্রশাসনে তীব্র চাপের মুখে পড়েছিলেন। পরবর্তীতে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। নতুন সরকারে তাঁর অন্তর্ভুক্তি প্র