গাইবান্ধার জলাতঙ্ক মৃত্যু ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিভ্রান্তি
ভ য কস ন দ য় ও – গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পাগলা কুকুরের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা অবৈধ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েকদিনে পাঁচ মানুষ জলাতঙ্কে মারা গেছেন, কিন্তু এ বিষয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন পর্যায়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে বলে দাবি করছেন, তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিবরণ অনুযায়ী ভ্যাকসিনের সংকট দেখা দিয়েছে এবং মৃত্যুর কারণে জনমনে সংশয় জাগছে।
গত ২২ এপ্রিল কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে একটি ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে গত ৬ মে নন্দ রাণী ও ফুলু মিয়া, ৮ মে রতনেশ্বর কুমার, ১২ মে আফরোজা বেগম এবং সর্বশেষ আজ শারমিন সুলতানা মারা গেছেন। আফরোজার পরিবার জানিয়েছেন, কামড়ের মুহূর্তে তাদের যথার্থ ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছিল। তবুও কেন তার জীবন রক্ষা করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে ভ্যাকসিনের মান বজায় রাখা বা কোল্ড চেইন প্রতিষ্ঠা না হলে বা ক্ষত গভীর হলে রাবিস ভাইরাস শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
১৩ মে প্রকাশিত স্মারক নং-৪৫১ বিবরণে দেখা গেছে যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র ৩০ ভায়াল ভ্যাকসিন মজুদ আছে। ডা. দিবাকর বসাক চাহিদা দেখিয়েছেন যে স্থানীয় উপজেলা পরিষদের প্রশাসনের দিকে হাসপাতালে বিশেষ ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
অন্যদিকে ডা. রফিকুজ্জামান সিভিল সার্জন পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের তথ্য বৈপরীত্য দেখাচ্ছে যে স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়হীনতা প্রকৃতপক্ষে কোথায় আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার প্রতিবেদনে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে এমসিসিওডি ফরমে মৃত এক ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘নিউমোনিয়া’ লেখা হয়েছে। বাকি চার মৃত ব্যক্তির প্রতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো চিকিৎসার নথিপত্র নেই।
স্থানীয় মানুষ অভিযোগ করছেন যে জলাতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনাগ