ভারতের গুজরাটে আর্থিক অনটনের আড়ালে বিকৃত লালসা
মোরবি এলাকায় ঘটেছে বর্বরোচিত ঘটনা
ভ রত র গ জর ট আর – গুজরাটের মোরবি এলাকায় অন্যতম ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে একটি আর্থিক সংকটের প্রভাবে বিকৃত মানসিকতার ফলে ঘটেছে স্ত্রী ও ছোটো মেয়েকে বাড়িওয়ালার হাতে ধর্ষণের জন্য তুলে দেওয়ার মতো একটি পৈশাচিক কার্যকলাপ। এই ঘটনাটি ভারতীয় সংস্কৃতির স্তব্ধ করে দেওয়া ঘটনা হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।
অভিযুক্ত স্বামী এবং বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার সম্পর্কে জানার জন্য পুলিশ সূত্রে প্রকাশ হয়েছে যে, প্রাথমিক আশ্রয় হিসেবে গুজরাটের সুরেন্দ্রনগর থেকে মোরবি এলাকায় আসার কারণে ঘটনা ঘটেছে। এখানে মাসে দুই হাজার রুপি চুক্তিতে একটি বাসা ভাড়া নেন তারা। কিন্তু গত চার মাস ধরে চরম আর্থিক সংকটের কারণে বাসার ভাড়া পরিশোধ করতে পারছিলেন না ওই যুবক।
বকেয়া টাকার জন্য বাড়িওয়ালা প্রতিনিয়ত চাপ দেন বলে দাবি করা হয়েছে। সেই চাপে স্বামী একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছোটো মেয়ে এবং স্ত্রীকে ধর্ষণের জন্য বাড়িওয়ালার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অভাবনীয় রূপে। সেই পরিবারের কন্যা ও স্ত্রী বাড়িওয়ালার দ্বারা দিনের পর দিন পাশবিক অত্যাচার করতে থাকেন।
পরিবারের মায়ের নজরে আসে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ভয়াবহ নির্যাতনের বিষয়টি। মেয়ের ওপর চলা অমানবিক অত্যাচারের কথা শুনে তিনি স্থির থাকতে পারেননি এবং মোরবি থানায় হাজির হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তুড়ুঁকু দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এই অপরাধের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারছে ভারতীয় দণ্ডবিধির কঠোর ধারা এবং শিশুদের সুরক্ষার্থে গঠিত বিশেষ আইন ‘পকসো’ (POCSO)-এর আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বর্তমানে নির্যাতনের শিকার মা ও শিশুদের আশ্বস্ত করার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও মানসিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। ঘটনাটি পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং সবাই এই বিকৃত মানসিকতার অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।