বাংলাদেশে নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক
ব ল দ শ দ য় ত – ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নতুন প্রস্তাব প্রকাশের আগে দীনেশ ত্রিবেদী একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রস্তুতি করছিলেন। তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদির সঙ্গে একটি সামরিক আলোচনায় অংশ নেন যাতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সামরিক সংযোগ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী কর্তৃক জানানো হয়েছে যে আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার করার জন্য এবং সামরিক যোগাযোগ কার্যকর করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্ট্র্যাটেজিক ব্রিফিং হিসেবে দেখা হচ্ছে বৈঠকটি
কূটনৈতিক সূত্রে জানানো হয়েছে যে বৈঠকটি কেবল আনুষ্ঠানিক নয়— বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ “স্ট্র্যাটেজিক ব্রিফিং” হিসেবে গৃহীত হচ্ছে। সীমান্ত সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের মোকাবিলায় ভারত তার অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দীনেশ ত্রিবেদির এই নিয়োগ নিজেই একটি মূল্যবান কূটনৈতিক বার্তা বহন করছে। নিয়মগুলো ভেঙে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে কূটনৈতিক পদে বসানো হয়েছে, যার পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বাস্তব চ্যালেঞ্জের জন্য তিনি আরও উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।
ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি দিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তার প্রস্তুতি এতে সীমান্ত সংক্রান্ত সমন্বয় আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে “কোঅর্ডিনেটেড রেসপন্স মেকানিসম” বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন যে ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) সম্পূর্ণ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়— এ নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ বাংলাদেশের নেই।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে সীমান্ত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রয়োজনে আরও কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিএসএফ-এর সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছ