ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি এবং পরিবেশের প্রতিক্রিয়া
ফ র ক ক ব ধ পর – ফ র ক ক ব ধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল আ. লীগ সরকার, যা বর্তমানে মরণফাঁদ হিসেবে পরিচিত। সংবাদ প্রকাশে মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তৎকালীন সরকার একটি ক্ষুদ্র সময়ের জন্য বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, যা অবিলম্বে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য গুরুতর প্রতিকূলতা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন পানির ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, কারণ ভারতের ফারাক্কা বাঁধ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী হয়েছে।
ফারাক্কা বাঁধ এবং জলসম্পদের প্রতিকূলতা
ফারাক্কা বাঁধের চালু করা বাংলাদেশের জন্য একটি বিপর্যয়ের আঙুল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মির্জা ফখরুল বলেন, গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে ভারতের নির্মাণ করা বাঁধ বাংলাদেশের জলসম্পদ গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফারাক্কা বাঁধ কারণে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিপর্যয় ঘটছে এবং জনজীবনের সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফারাক্কা বাঁধ চালু করার পর থেকে বাংলাদেশের জলসম্পদ বিপর্যয় ঘটছে। সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত আদিবাসীদের প্রতিক্রিয়া অগ্রাহ্য করে চলছে। তবে এখন ফারাক্কা বাঁধ বিষয়টি আন্তর্জাতিক আলোচনার সূত্রপাত করেছে এবং সেই ত্যাগের চেতনার আবহাও দেখা যাচ্ছে।
“ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। জলসম্পদের এই অধিকার বরণ করে না ভারতের একতরফা পদক্ষেপ নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে উষর ভূমির আলামত হিসেবে পরিচিত।”
ফারাক্কা বাঁধ চা�