দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে : মির্জা ফখরুল | সংবাদ
বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ এবং অস্থিতিশীলতা
দ শ অস থ ত শ ল – দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আলোচনা করেছেন, যখন তিনি রুহিয়া উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির চালু হওয়া পাঁয়তারার কারণ হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতার ক্ষীয়মান পরিবর্তন উল্লেখ করেন। দেশবাসীকে সতর্ক করে তিনি উপরোক্ত অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে সবাই একত্রিত হতে আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাই সকলকে সজাগ থাকতে হবে।” মন্ত্রী আরও জানান যে কোনো ধরনের চক্রান্ত সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পকে অব্যাহত রাখতে পারবে না। এই বিষয়ে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের প্রতি সতর্কতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকার তার কর্মসূচি অনুযায়ী কাজ করছে এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য চালু হওয়া কোনো সংকট সম্পর্কে তিনি আরও ব্যাপার করেন। তিনি আরও বলেন, “প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার নিরন্তর চলছে।”
নতুন উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম
মন্ত্রী ফখরুল বলেন যে নতুন উপজেলা রুহিয়াতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পর দেশের উন্নয়ন বাড়াতে সহায়তা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আরও জানান যে বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ চলছে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে চালু হবে।
উপজেলা বিকাশ অর্থ এবং প্রজন্মের ব্যবস্থার কারণে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী আরও তথ্য প্রদান করেন। তিনি বলেন যে নতুন প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতা দূর করা সম্ভব। উপজেলার কার্যক্রম চালু হওয়া কারণে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া বাধ্যতামূলক হতে পারে।
তরুণদের ভূমিকা ও ভবিষ্যতের দেশ নির্মাণ
মন্ত্রী আলমগীর তরুণদের ভবিষ্যতের দেশ নির্মাণে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান। তিনি দেশের অস্থিতিশীলতা দূর করতে তরুণ সমাজকে স্বাধীনতা দিতে হবে। মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
রুহিয়া উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি তরুণদের জনগণ ও আশাবাদী করে তুলতে হবে বলে অনুরোধ করেন। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে এটা তাদের জনগণ প্রতি জাগ্রত হওয়া দরকার। এই অনুষ্ঠানে তরুণদের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
স্মৃতির পাতা উল্টে প্রয়াত সহযোদ্ধাদের স্মর