দোহারে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১
দ হ র শ শ শ ক ঘটনা ঢাকার দোহার উপজেলার দক্ষিণ শিলাকোঠা এলাকায় শুক্রবার (২২ মে) দুপুর সময় ঘটে। তখন বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠে আসে এবং মো. লতিফের ছেলে বিল্লাল হোসেন (২৮) নামক যুবক পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। তিনি রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করেন এবং আসামিকে দোহার থানায় নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনার পর শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হচ্ছে।
ধর্ষণ চেষ্টার পরিচয় ও প্রতিক্রিয়া
অভিযুক্ত যুবক শিশুটিকে বাইরে গোসল করতে ডাকে। কিছুক্ষণ পর শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে তার হাত দেয়া হয় এবং পরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। যখন শিশুটি মায়ের কাছে চিৎকার করে উঠে আতঙ্কিত করে, তখন তার মা বাড়ি থেকে বের হন খুঁজতে। যুবকটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেন। দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক জানান, শিশুটি একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। ঘটনার পর তার মাতৃ ও পিতৃ বাড়িতে দোহার শিশু শিক্ষার্থীকে নিরাপদ করার জন্য গৃহতে প্রবেশ করেন।
আমি দ হ র শ শ শ ক যুবকটির বিরুদ্ধে নির্যাতনের সত্যতা প্রমাণ করতে চাই। তার মেয়ে আতঙ্কিত হয়েছে এবং কথা বলতে গেলে কান্নায় ভেঙে পড়ছে। ঘটনার পর আমি শিশুটি বাড়িতে বাইরে গোসল করতে বলি। কিন্তু যুবকটি তার চোখে তাকিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
আসামিকে আদালতে প্রেরণ এবং গৃহতে তদন্ন করা হয়েছে
দোহার থানায় আসামিকে দোহার শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিল্লাল হোসেন নিজের অপরাধের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি আসামি হিসেবে দোহার শিশু শিক্ষার্থীকে নিরাপদ করার জন্য গৃহতে তদন্ন করা হয়েছে। শিশুটি কথা বলতে গেলে আঁতকে উঠে কান্নায় ভেঙে পড়ছে এবং এই বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ও সারাদেশে সংবাদ ছড়িয়ে দেন। তারা জানান যে সাধারণ মানুষ তাদের শিশু শিক্ষার্থীকে দুর্বলতার কারণে নিজের নিরাপত্তির খুঁজছে।
পুলিশ কর্তৃক দোহার শিশু শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করার পর ঘটনার পরিচয় স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই ঘটনার কারণে শিশু শিক্ষার্থী এলাকায় বিস্তারিত বিতর্ক উপস্থিত হয়। একাধিক বাসন্তী এবং শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা দোহার শিশু শিক্ষার্থীকে ধর