‘দূষণ’ হয়ে উঠছে সম্পদ | সংবাদ
দ ষণ হয় উঠছ সম পদ – ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দাঁড়ালে যে দৃশ্য অবলোকন করা যায় তা শুধুমাত্র দূষণের চেয়ার নয়, এগুলো কোটি টাকার কাঁচামালের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পানির বোতল, পলিথিন ব্যাগ ও প্লাস্টিক চেয়ার সবগুলো মাত্র বর্জ্য নয়, এগুলো নতুন শিল্প উদ্যোগের ভিত্তি হতে পারে।
প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে ফার্নিচার তৈরির প্রক্রিয়া
বিশ্বের বহু দেশ ইতোমধ্যে দূষণকে সম্পদে পরিণত করেছে। বাংলাদেশে তাও সেই অপার সুযোগ এখনও সম্পূর্ণ বাইরে থেকে গেছে। সংগ্রহ করা হয় উচ্চ ঘনত্বের পলিইথিলিন (এইচডিপিই) ও পলিপ্রোপিলিন (পিপি) প্লাস্টিক কাঁচামাল। এগুলো পরিষ্কার করা হয়, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলিয়ে মোল্ডে ঢালা হয়। ঠান্ডা হতে পরে মজবুত ফার্নিচার তৈরি হয়, যা কাঠের চেয়ার তুলনায় টেকসই, পানিরোধী ও পোকামাকড়মুক্ত। এই পণ্যগুলো পুনরায় গলিয়ে নতুন করে ব্যবহার করা সম্ভব। সেই কারণে এটি সার্কুলার ইকোনমি বর্জ্য হিসেবে পরিচিত।
বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা দিনে দিনে বাড়ছে। স্কুল, হাসপাতাল, সরকারি অফিস ও পার্কে টেকসই ফার্নিচারের জন্য ক্রয় নীতি গড়ছে। ইউরোপে এই ধরনের বাজার বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশেও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে, বিশেষত কম দামের কারণে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রাপ্ত হওয়া সম্ভব।
সম্পদের রূপান্তর: বাংলাদেশের স্থায়ী সবুজ ব্যবসা
প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তিনটি আয়ের উৎস তৈরি করা সম্ভব। প্রথম স্তরে এগুলো ফার্নিচার হিসেবে বিক্রি করা যায়। দ্বিতীয় স্তরে কার্বন ক্রেডিট হিসেবে বিক্রি করা যাবে। যেখানে প্রতি টন প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করলে প্রায় 1.5-2 টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সাশ্রয় হয়। এই সাশ্রয় বাঁচিয়ে কার্বন ক্রেডিট উৎস হয়।
বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণে ক্রমেই সবুজ উদ্যোগকে নীতিগত সমর্থন দিচ্ছে। এক