তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনে আলটিমেটাম ঘোষণা
ত স ত মহ পর কল পন আন্দোলনটি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং অর্থ বরাদ্দের দাবি করে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার জন্য একটি আলটিমেটাম ঘোষণা করেছে। আলটিমেটামের মূল দাবিগুলির মধ্যে প্রকল্পের অনুমোদন প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত। ঘোষিত কার্যক্রম অনুযায়ী আগামী ৫ জুন পর্যন্ত তিস্তা বেষ্টিত রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষ আন্দোলনে নামবে। তিস্তা প্রকল্পের কারণে গ্রামীণ বাসিন্দাদের প্রতিকূল পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে, কিন্তু সরকার পক্ষ থেকে কোনও দ্রুত ক্রমবর্ধন দেখা যাচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা পরিচালনার প্রতিশ্রুতি অসার হয়ে উঠেছে
বুধবার (২০ মে) দুপুরে রংপুর নগরীর একটি বেসরকারি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শফিয়া রহমান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আলটিমেটাম ঘোষণার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা অনুসরণের প্রতিশ্রুতি কেবল ভাবাদেশ হিসেবে রয়েছে। প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণের জন্য বরাদ্দ প্রাপ্তির অভাব আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনও প্রকাশ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। সরকারের উপদেষ্টাদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।
আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাধ্যতা কার্যক্রম
সংবাদ সম্মেলনে তিস্তা আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচির বিবরণ প্রকাশ করা হয়। আলটিমেটাম প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনে কোনও আপত্তি বা বরাদ্দের অভাবের কারণে মানুষ বৃহত্তর আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে। প্রকল্পের কারণে ঘটেছে বিভিন্ন এলাকার প্রতিক্রিয়া এবং সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ত স ত মহ পর কল পন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
তিস্তা প্রকল্প ক্ষেত্রে বিশেষ করে রংপুরের দুই কোটি মানুষ অনুমোদন ও বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘোষণা করেন যে সারা দেশে কোনও সম্পদ বরাদ্দ ছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা পরিচালনা করা যাবে না। প্রকল্পের দ্বারা ঘটেছে আর্থিক অসুবিধা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ধ্বংসের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
অন্যথায় তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক এবং আর্থিক প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই প্রধানমন্ত্রী তার কথা মেনে চলবেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করবেন বলে আশা করা হয়।