স প র ম ক র ট এনসিপি আইনজীবী ফোরামের প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম মুসা নিয়ে বিশেষ আলোচনা
স প র ম ক র ট এনসিপি আইনজীবী ফোরামের প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম মুসা এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘোষণা করেন যে বিচারকদের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় গঠনের আকাঙ্ক্ষা ছিল। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতিষ্ঠার জন্য সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছিল। মাসদার হোসেন মামলার আদেশের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ প্রণীত হয়েছিল, যা নিয়ে সম্প্রতি আবার বিচার বিভাগ ধ্বংসের জন্য নীল নকশা প্রকাশ করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের সম্মতি কেন প্রয়োজন?
বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল পূর্বে অধ্যাদেশ জারির সময় উচ্ছ্বসিত অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছিলেন এবং তার মতে সেটি একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য। পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন বর্তমান আইনমন্ত্রী। তিনি সচিবালয় গঠনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান সরকার তাদের সম্মতি প্রয়োজন করেছে যেহেতু এটি সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
আরও এক ব্রিফিংয়ে ন্যাশনাল লয়ার্স অ্যালায়েন্সের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের আহ্বায়ক মোস্তফা আজগর শরিফী বলেন, “সাম্প্রতিক আদেশে বিচার বিভাগ নিম্ন আদালতের বিচারক এবং সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে, কিন্তু এখন সেই সচিবালয় কার্যক্রমের যবনিকা খোলা হয়েছে।”
সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীনতা পুনঃনিশ্চিত করার চেষ্টা
স প র ম ক র ট এনসিপি আইনজীবীদের দাবি হচ্ছে বর্তমান আদেশ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার উপর বিপাক তৈরি করেছে। তাদের মতে, সাম্প্রতিক কার্যক্রম দ্বারা বিচারকদের নিরপেক্ষতা ধ্বংস হতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের একটি নতুন আইন প্রণীত হবে, যা বিচার বিভাগ এবং সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা পুনঃনিশ্চিত করবে। তারা দাবি করেন যে এটি নীতিগত ক্ষমতা বিতরণ ও স্বাধীন আইন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ অনুসন্ধান বাতিল করবে।
তাদের মতে বিচার বিভাগ ধ্বংস করার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের বিকল্প প্রস্তাব আবার জনমানুষের সামনে আসবে। আগে স্বাধীন সচিবালয় গঠন করা হয়েছিল, কিন্তু এখন এটি পুনরায় পরিবর্তিত করা হচ্ছে। এর ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংকটে পড়বে এবং সুপ্রিম কোর্টের পুনঃনির্মাণ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ করছে।
স প র ম ক র ট এনসিপি আইনজীবীদের মতে সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সামাজিক বিতর্ক তৈরি করেছে। তা�