ঢাকা ২০৫০: বাতাসে বিষ, বুড়িগঙ্গায় প্লাস্টিক!
ঢ ক ২০৫০ – ২০৫০ সালের ৫ জুন রাজধানী ঢাকার চেহারা আর আলাদা হবে না। তখন এলাকায় এলাকায় সংঘর্ষ ও অশান্তি ছড়িয়ে পড়বে পানির অভাবের কারণে। শহরে এখন ধূসর আকাশ আর ক্লান্ত রোদ ছাড়া অন্য কিছু নেই। সবুজ আচ্ছাদন কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২ শতাংশে। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জানালা খুলে যাওয়ার সময় একটি দৃশ্য দেখা যাবে— সম্পূর্ণ মরুকান্টারে পরিণত শহর। এর কারণ হল অক্সিজেনের বদলে নাইট্রোজেন অক্সাইড আর সূক্ষ্ম বিষাক্ত মেঘের ছড়ানো বাতাস।
পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার সবুজ আচ্ছাদন প্রতি বছর কমে চলছে। যেমন প্রতিবেদন দেখায় ঢাকার সবুজ আবরণ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২ শতাংশে। এই কমতি বাড়ছে তখন থেকে দেখা যায় ২০২৫ সালের তুলনায় সেটা ছিল কমে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশ। গাছগুলো আর কেউ নেই যারা ধুলো ধরে রাখতে পারে।
২০৩৮ সাল থেকে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যানবাহন চলে না। কারণ নগর পরিকল্পনাবিদেরা বিপর্যয় সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করলেও অপরিকল্পিত নগরায়ণ থামাতে পারেনি কেউ। বুড়িগঙ্গা আর ধলেশ্বরীর মুখ একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে দাঁড়িয়েছে ২০৫ মিটার নিচে। অপরিকল্পিত বিস্তার বন্ধ করার প্রয়োজন আছে।
২০৫০ সালের এই দৃশ্য ঠেকানো এখনো সম্ভব। যাতে ভূগর্ভস্থ পানির নির্ভরতা কমানো হয় এবং গ্রিন বিল্ডিং ও পানি সংরক্ষণ আইনের কঠোর প্রয়োগ করা যায়।
পুরো শহর প্লাস্টিকে ভরা রূপে পরিণত হয়েছে। পুরান ঢাকার গলির মুখ থেকে মায়াবী জলাশয়গুলো আর দেখা যাবে না। বৃষ্টির ফোঁটার সময় নর্দমা পানি রাস্তায় ভেসে ওঠে। আজকাল ধুলো নিয়ে চোখ মুখ ঢেকে যাচ্ছে। সেগুনবাগিচায় আর পা ভিজিয়ে পার্কের ঘাটে বসা যায় না। নব্বইয়ের দশকের প্রজন্ম জানে সেগুনবাগিচায় ছুটি করে পার্কে বসা যেত। কিন্তু আজ সেটা নাকি নির্মল প্লাস্টিক আবর্জনার স্তূপ হয়ে গেছে।
টিউবওয়েল এখন কালভার্ট আর পাকা ফ্লাইওভারের নিচে মুখ দিয়ে আছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণের ১২ জেলার বেশির ভাগ জনপদ বাস্তুচ্যুত হয়ে গ