গৃহকর্মী থেকে বাংলার মন্ত্রী কলিতা মাঝি
অনুপম স্বামীর গৃহে প্রাথমিক বাস থেকে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা
গ হকর ম থ ক ব ল – ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কলিতা মাঝি আউশগ্রাম আসন থেকে জয় লাভ করে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাপক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই বিজয়ের পর তিনি আরও জানান, ‘আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি যে বিধায়ক হব, মন্ত্রী হওয়া তো দূরের কথা।’ কলিতা মাঝি এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।
প্রাথমিক সময়ে তিনি আড়াই হাজার টাকার বেতনে অন্যদের বাড়িতে কর্ম করতেন। অর্থনৈতিক ক্ষীণতা কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। তার স্বামী কাঠমিস্ত্রি পেশায় কাজ করেন এবং তার ছেলে স্কুলে পড়াশোনা করছে। সংসারের অভাব কারণে কলিতা মাঝি আরও বলেন, ‘আমি যখন মানুষের বাড়িতে কাজ করতাম, তখন কখনো ভাবিনি একদিন আমি মানুষের সেবা করার এমন সুযোগ পাব।’
তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য হন ২০১৪ সাল থেকে। প্রথমবার বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তার দৃষ্টিশীর্ষ ছিল নিজের এলাকায়। কিন্তু এখন তিনি সম্পূর্ণ পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। পরিশেষে সেই ব্যক্তি মোদিজি এবং দলের নেতৃত্ব কারণে সাফল্যের পথে এগিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ৩৫ জন মন্ত্রী। কলিতা মাঝি এই সদস্যদের একজন। তার মাধ্যমে মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। কাঁপা কাঁপা স্বরে কলিতা মাঝি আরও জানান, ‘মোদিজি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন।’
১ জুন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর. এন. রবি লোক ভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করেন। বিজেপির নেতৃত্ব কারণে সাধারণ কর্মী হতে পারেন রাজনৈতিক শীর্ষ স্থানে। কলিতা মাঝি তার আস্থার প্রতিদান দিতে চাইছেন বলে জানান।
‘আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি যে বিধায়ক হব, মন্ত্রী হওয়া তো দূরের কথা।’
‘মোদিজি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। এতে আমি ভীষণ আনন্দিত।’
‘আমি যখন মানুষের বাড়িতে কাজ করতাম, তখন কখনো ভাবিনি একদিন আমি মানুষের সেবা করার এমন সুযোগ পাব।’