মাওয়ায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার রেণু জব্দ
ম ওয় য় ১ ক ট ১০ – মাওয়ায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার রেণু জব্দ হয়েছে, যা বাগদা চিংড়ি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু টোল প্লাজা এলাকায় কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের একটি দল প্রতিদিন জব্দ করেছিল। এই অভিযানের ফলে সম্পূর্ণ রূপে অবৈধভাবে প্রাপ্ত রেণু সংগ্রহ করা হয়েছিল, যা বাজারে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্য বহন করে। এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রতিবেদন পেয়েছে।
অভিযানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ও মামলা
বুধবার (৩ জুন) প্রাতে কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের সংযুক্ত দল চট্টগ্রাম থেকে বাগেরহাট দিকে যাওয়া একটি সন্দেহভাজন ট্রাক পরিদর্শন করে। ট্রাকে প্রায় ২২ লাখ পিস অবৈধ বাগদা চিংড়ি খুঁজে পাওয়া হয়। পরীক্ষার সময় জব্দ করা রেণুগুলি সম্পূর্ণ পরিপন্থিত হয়েছিল এবং এই পরিপন্থি মামলার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তারা কার্যত কোনও বিপদ হয়নি। কোস্টগার্ড এবং মৎস্য বিভাগের অভিযান পরিচালনার সময় খাস আদেশ ও অনুসারে অপসারণ করা হয়েছিল।
এই অভিযানে জব্দ করা প্রাপ্ত রেণু কোটি টাকার মূল্য বহন করে, যা মাওয়া স্থানীয় বাজারে আরও বেশি বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। নিয়ম ও বিধি প্রতিষ্ঠা করার জন্য মৎস্য বিভাগের এ ধরনের অভিযান বারবার চালিয়ে আসা হয়। যাইহোক, এই বাগদা চিংড়ি রেণু বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে যেহেতু এগুলি পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেনাবাহিনী ও কর্মকর্তারা এটি নিয়মিত চেক করে এবং সরাসরি আপত্তি করা হয়।
মৎস্য কর্মকর্তার বিবরণ
মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, জব্দ করা রেণুগুলি পদ্মা নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাওয়ায় এ ধরনের অপরাধ কমানোর জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, বাগদা চিংড়ি রেণু জব্দ করার মাধ্যমে মৎস্য বিভাগ সম্পূর্ণ পরিবেশ সুরক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
আপনার বাগদা চিংড়ি রেণু জব্দের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মৎস্য বিভাগ সুরক্ষিত করেছে যাইহোক, পরবর্তী সময়ে সম্পূর্ণ উপাদান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান কেবলমাত্র একটি বিষয় নয়, এটি সম্পূর্ণ মৎস্য কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রতিদিন পরিচালিত হয়। এর ফলে মাওয়া স্থানীয় বাজারে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকার মূল্য বহন করে।
অভিযানের সম্পূর্ণ ফলাফল
অভিযানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের একটি দল অংশ নিয়েছে। এই অভিযানের ফলে জব্দ করা রেণুগুলি মূল্য ব