News

গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় প্রকৌশলী কারাগারে | সংবাদ

গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় প্রকৌশলী কারাগারে | সংবাদ অপরাধের প্রমাণে আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গ ল কর ১৯ ল খ ট - গুলি করে ১৯

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় প্রকৌশলী কারাগারে | সংবাদ

অপরাধের প্রমাণে আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

গ ল কর ১৯ ল খ ট – গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কামাল উদ্দীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বুধবার তাকে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের আবেদনে তাকে কারাগারে আটক করে। আসামির জামিন আবেদন নাকচ করা হয়, যার ফলে তদন্ত কর্মকর্তা আবেদন জানান এবং আসাদুজ্জামান কারাগারে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এই অপরাধের প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছে এবং আসামি অপরাধ সম্পর্কে প্রমাণ সম্পূর্ণ ছিনতাই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

মামলার তদন্তে আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলার জন্য দায়ী বলা হয়। আসাদুজ্জামান কারাগারে আটক হওয়ার পর তার মক্কেলদের অপরাধ বিষয়ে নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র‍্যাব-১০ এর দল আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে। তিনি কারাগারে পাঠানোর আগে তার মক্কেলদের হয়রানি করার সম্ভাবনা নিয়ে আদালত আলোচনা করে।

গত ৬ মে বিকেলে ঘটনা ঘটে। সেই দিন মো. হাসান এবং তার সঙ্গীদের পথরোধ করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়। হামলাকারীদের পক্ষে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের ঝাঁপিয়ে পড়া হয়। তারা পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে হামলাকারীদের গাড়ি থেকে টেনে বের করে। এতে ব্যবসায়ী হাসান, রনি, মোতালেব ও নয়নসহ কমপক্ষে ৭ জন গুরুতর আহত হন। গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলায় জড়ানো ব্যক্তিদের নিয়ে গুরুতর অপরাধ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

তদন্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই ঘটনার প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে গুরুতর অপরাধে দায়ী বলে দাবি করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করার পর আসামি কারাগারে আটক হয়।

গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই মামলার অপরাধীদের নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা গুরুতর অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। পুলিশ এবং তদন্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন স্থানে খুঁজে বের করছে এবং অপরাধীদের অপরাধ বিষয়ে গুরুতর অপরাধের প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছে। মামলার প্রমাণ তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে এবং তারা তার জামিন আবেদন নাকচ করার দাবি করে।

অপরাধের পর গুরুতর চৌমুর ঘটে। সেই দিন ব্যবসায়ী মো. হাসান এবং তার সঙ্গীদের গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই করে। হামলাকারীদের পক্ষে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের ঝাঁপিয়ে পড়া হয়। তারা গুরুতর অপরাধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গুলি ছুঁড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। গুরুতর অপরাধ বিষয়ে এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা গুরুতর অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ করছেন।

Leave a Comment